সর্বশেষ
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নতুন কড়াকড়ি, সাত দেশের নাগরিকদের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা

Spread the love

মোঃ শাহনুর রহমান লিমন, স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকাঃ

ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনি পাসপোর্টধারী ব্যক্তিদের পাশাপাশি সাতটি দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া দেশগুলো হলো বুরকিনা ফাসো, মালি, নাইজার, দক্ষিণ সুদান, সিয়েরা লিওন, লাওস এবং সিরিয়া।মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করা এবং মার্কিন নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ক্ষেত্রে স্ক্রিনিং ব্যবস্থা, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া এবং তথ্য আদান প্রদানে গুরুতর ঘাটতি রয়েছে। এসব কারণেই নতুন করে এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, যা আগামী ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।এর আগে গত নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ১৯টি দেশের সঙ্গে অভিবাসনসংক্রান্ত কার্যক্রম স্থগিত করে। ওই তালিকায় ছিল আফগানিস্তান, মিয়ানমার, বুরুন্ডি, চাদ, কিউবা, কঙ্গো, ইকুয়াটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লাওস, লিবিয়া, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, সুদান, টোগো, তুর্কমেনিস্তান, ভেনেজুয়েলা এবং ইয়েমেন।সূত্র জানায়, ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্য হলো নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তত ৩২টি দেশ অন্তর্ভুক্ত করা।

তবে নতুন করে যুক্ত হতে যাওয়া ১৩টি দেশের নাম ও বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি।সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বন্ডি সমুদ্রসৈকতে ইহুদিদের ওপর বন্দুক হামলার ঘটনায় ১৫ জন নিহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর পদক্ষেপ অনেকের কাছেই অপ্রত্যাশিত ছিল না।

তবে সিরিয়ার নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ কিছুটা বিস্ময় তৈরি করেছে। কারণ, কয়েক দিন আগেই সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক হয়েছিল এবং সিরিয়ার ওপর আরোপিত পূর্ববর্তী কিছু নিষেধাজ্ঞাও প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *