মোঃ ছাব্বির খান , কালিয়া উপজেলা প্রতিনিধি:
নড়াইলে মধুমতি নদীর চর এলাকায় প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০ বছর আগে নির্মিত হয়েছিল একটি সেতু। বিল থেকে ফসল আনা নেওয়ার জন্য নির্মিত এই সেতুর কোনো সংযোগ সড়ক না থাকায় কোনো সুবিধাই পাচ্ছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা। সেতুটির দুই পাশে অস্তিত্ব নেই কোনো সংযোগ সড়কের।
দাঁড়িয়ে থাকা সেতুটি স্থানীয় বাসিন্দাদের কষ্ট লাঘবের বদলে বিষফোঁড়ায় রুপান্তরিত হয়েছে। এ চিত্র লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের মাকড়াইল গ্রামে।স্থানীয়রা জানান, বর্ষার সময় পানি বাড়লে বিল থেকে ফসল আনা নেওয়ার সুবিধার জন্য এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল । এটি বিল থেকে ফসল আনা নেওয়ার একমাত্র মাধ্যম। কিন্তু রাস্তা না থাকায় সেতুটি আজ পযন্ত ব্যবহার করার উপযোগী হয়ে ওঠেনি ।
তবে এখন এটি ব্যবহার করতে হলে আগে রাস্তার জায়গা নির্ধারণ করে মাটি ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ করতে হবে। মাকড়াইল গ্রামের কৃষক আব্দুস ছালাম মোল্যা বলেন, সরকারের টাকা খরচ করে সেতু করেছে। কিন্তু সেতুর দুইপাশে কোনো রাস্তা নেই। এই সেতুতে আমাদের কোনো উপকার নেই।
যদি মাটি ভরাট করে দুইপাশে রাস্তা হত তাহলে আমরা সেতুটি ব্যবহার করতে পারতাম এবং সেতুটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কাজে আসতো।একই গ্রামের মশিউর রহমান বলেন, খাল নেই, নদী নেই, রাস্তা নেই, খালি খালি অকারণে বিলের মাঝে একটা ব্রিজ করে থুইছে। এই ব্রিজে আমাদের কোনো উপকার নেই।
মাকড়াইল গ্রামের বাসিন্দা লিমন শিকদার বলেন, এখানে যে ব্রিজটা হইছে এর সঙ্গে রাস্তা না হওয়ায় আমাদের পুরো গ্রামের ক্ষতি। আমরা একটা ভ্যান নিয়েও বিলে যেতে পারি না, দেড় কিলোমিটার ঘুরে আমাদের বিলে যেতে হয়। ব্রিজের দুইপাশ দিয়ে মাটি ভরাট করে রাস্তা করে দিলে আমরা স্থানীয়রা এই ব্রিজের সুফল ভোগ করতে পারব।

