সর্বশেষ
ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬

নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জামাতের আমির ডা. সফিকুর রহমানের বিশাল নির্বাচনি জনসভা।

Spread the love

কালিয়া উপজেলা প্রতিনিধি, মোঃ ছাব্বির খান:

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘একটা ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আগামী ১২ তারিখ আমাদের মুক্তির হাতছানি দিচ্ছে। ৫৪ বছরে যাঁরা রাজনীতি করেছেন, অনেকেই চেষ্টা করেছেন। আমরা কারও আন্তরিকতার ওপর কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করতে চাই না। তাঁরা তাঁদের যোগ্যতা ও আন্তরিকতা দিয়ে যেটুকু পেরেছেন, বাংলাদেশ এবং তার জনগণকে দিয়েছেন।

কী দিয়েছেন, কী দিতে পারেননি—তার সবকিছুর সাক্ষী এ দেশের ১৮ কোটি মানুষ।’৬ ই ফেব্রুয়ারী, শুক্রবার বিকাল চার ঘটিকায় নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গন থেকে সমগ্র নড়াইল জেলা-বাসির উদেশ্য ভাষণ প্রদান করেন ডা. সফিকুর রহমান এবং ভাষণ শেষে – নড়াইল – ১ এর প্রার্থী ওবাইদুল্লাহ কায়সার এবং নড়াইল – ২ এর প্রার্থী আতাউর রহমান বাচ্চুর হাতে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রতীক দুই প্রার্থীর হাতে তুলে দিয়ে সবার কাছে ভোট চান।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা আর চাই না, দেশের মাটিতে শুধু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হওয়ার কারণে দমন-পীড়নের শিকার হয়ে তাকে খুন করা হোক, গুম করা হোক, আয়নাঘরে পাঠানো হোক, মিথ্যা মামলা দিয়ে কাউকে নাজেহাল করা হোক। এই বাংলাদেশ আমরা আর চাই না।’জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমি কোনো দলের সরকার চাই না, কোনো পরিবারতান্ত্রিক সরকার চাই না, কোনো গোষ্ঠীতান্ত্রিক সরকার আমি চাই না, আমি চাই জনগণের সরকার। আমি চাই ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ। আর ধর্মে-বর্ণে-জাতিতে বিভক্ত করার সুযোগ আমরা কাউকে দেব না, ইনশা আল্লাহ।

এই বাংলাদেশকে সব ধর্মের, বর্ণের মানুষকে ফুলের বাগানের মতো আমরা সাজাব।’জনসভায় চব্বিশের আন্দোলনে রক্ত ও জীবন দেওয়া বীরদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই বাংলাদেশে এখন স্বস্তির নিশ্বাস চাই। আর পুরোনো রাজনীতিতে ফিরে যেতে চাই না। এই পুরোনো রাজনীতি বাংলাদেশকে আগায় যেতে দেয় নাই। পায়ে গিঁট দিয়ে আটকে রেখেছে, সামনে আগাইতে দেয় নাই। আমরা সেই বাংলাদেশকে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে পাল্টে দিতে চাই। সেই সুযোগ আগামী ১২ তারিখ।’জামায়াতের আমির বলেন, ‘বলতে গেলে সমাজে কেউ ভালো নেই। এই ভালো থাকাটা কে তৈরি করবে? এই ভালোর জায়গাটা সে–ই তৈরি করবে, যার সমাজের প্রতি দরদ, দায় এবং ভালোবাসা আছে।

যে সমাজের ওপর জুলুম করে, সে এটা পারবে না।’নড়াইলের সকল, নেতা-কর্মীদের ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘যোদ্ধারা তৈরি থাকুন। কোনো কালো চিল এবং শকুন আসমান থেকে জমিনে নেমে কোনো একটা মানুষের ভোটও যেন ছোঁ মেরে নিয়ে যেতে না পারে। যদি এ রকম আসে, দুই ডানা খুলে ফেলবেন।’ তিনি বলেন, ‘যদি কোনো দুর্বৃত্ত অন্য কোনো নাগরিকের ভোটের দিকে হাত বাড়ায় অথবা কেউ যদি ইঞ্জিনিয়ারিং করতে চাই, মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করে বলছি, কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলব না ইনশাল্লাহ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *