তুরস্কে ফুটবল পরিচালনায় এক ভয়ঙ্কর অনৈতিকতা উন্মোচিত হয়েছে। Turkish Football Federation (TFF) ঘোষণা করেছে যে দেশটির পেশাদার লিগে দায়িত্বে থাকা মোট ৫৭১ জন ম্যাচ নিয়ন্ত্রক-আরফনিক অফিসিয়ালের মধ্যে ৩৭১ জনেরই রয়েছে বাজি-অ্যাকাউন্ট, এবং এর মধ্যে ১৫২ জন বর্তমানে সক্রিয়ভাবে বেটিংয়ে যুক্ত। সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য: এক-একজন অফিসিয়াল একাই ১৮,২২৭টি বাজি রেখেছেন গত পাঁচ বছরের মধ্যে। তাছাড়াও, ৪২ জন অফিসিয়াল এমন ভয়ঙ্কর পরিমাণে বাজি রেখেছেন—প্রতিজন ১,০০০টিরও বেশি ম্যাচে বাজি করেছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই বেটিং-অভিযানে তাদের মধ্যে রয়েছে দেশের শীর্ষ দুই ডিভিশনের ৭ জন রেফারি ও ১৫ জন সহকারী রেফারি। TFF প্রেসিডেন্ট İbrahim Hacıosmanoğlu এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন যে এই ঘটনা শুধুই এক-দুই জনের নয়, বরং একটি “গঠনমূলক সংস্কার” দাবি করছে, এবং আইনি-শৃঙ্খলগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। —বিশ্লেষণ ও প্রভাবএই ঘটনা তুর্কি ফুটবলের প্রতি জনসাধারণের আস্থা ব্যাপকভাবে দণ্ডগোল হয়েছে বলেই মনে হয়। অভ্যন্তরীণ একাধিক তীব্র পর্যবেক্ষণ ইতিমধ্যে নির্দেশ করেছে— যেমন, রেফারি যারা বাজি রাখছেন তারা হয়তো ম্যাচের নিরপক্ষতা (impartiality) হত্যা করছেন। ফুটবল-গভীরতা, দর্শক-আস্থা, ক্লাবমূলক সংকট—সবকিছুর ওপর এটি দাগ ফেলতে পারে। একাধিক বড় ক্লাব ইতিমধ্যে TFF-এর কাছে দাবী তুলেছে—নাম উন্মোচন, ম্যাচ-তালিকা প্রকাশ, সংশ্লিষ্ট বাজির হিসাব দেওয়া হোক। এর ফলে, আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোরও নজর যাচ্ছে; যেমন FIFA ও UEFA নিয়ম অনুযায়ী রেফারি-বেটিং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

