জবি প্রতিনিধি,আবির কর:
আসন্ন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই সব প্রার্থীর ডোপ টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে এবং পরীক্ষার রিপোর্টও প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যেই আলোচনায় আসে ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান (ছাত্রদল সমর্থিত) প্যানেলের আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক পদপ্রার্থী অর্ঘ্য শ্রেষ্ঠ দাসকে ঘিরে ওঠা গুঞ্জন—তার ডোপ টেস্ট নাকি ‘পজিটিভ’ এসেছে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্ঘ্য শ্রেষ্ঠ দাস জানান, ছোটবেলা থেকেই তিনি নার্ভজনিত সমস্যায় ভুগছেন এবং নিয়মিত চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ সেবন করেন।
তার দাবি, এই ওষুধের প্রভাবেই পরীক্ষার রিপোর্টে “পজিটিভ” দেখাতে পারে।অর্ঘ্য বলেন, “ছোটবেলা থেকেই নার্ভের সমস্যায় ভুগছি। নিয়ম করে প্রতিদিন রাতে ওষুধ খেতে হয়। ওই ওষুধের কারণেই আমার ডোপ টেস্টে ‘পজিটিভ’ আসতে পারে। আগামীকাল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয়ে যাবতীয় মেডিকেল ডকুমেন্ট জমা দেব।”উল্লেখ্য, জকসু নির্বাচনের আচরণবিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীর ডোপ টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ হলে তার প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার বিধান রয়েছে।
এ কারণে বিষয়টি ঘিরে প্রার্থীদের মধ্যে যেমন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তেমনি শিক্ষার্থীদের মধ্যেও চলছে নানা আলোচনা।নির্বাচন কমিশন এখনো0 এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে অর্ঘ্যের জমা দেওয়া মেডিকেল নথি পর্যালোচনা শেষে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে বলে জানা গেছে।

