সর্বশেষ
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

ছবি ফাঁস! এনবিআর মোয়াজ্জেম ও আওয়ামী লীগ নেত্রীর ঘনিষ্ঠতা: রকেটের গতিতে পদোন্নতির রহস্য কী?

Spread the love

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রশাসনে সম্প্রতি ১৫ ব্যাচের কর্মকর্তা মো. মোয়াজ্জেম হোসেন সদস্য হিসেবে পদোন্নতি লাভের পর থেকেই ক্ষমতা ও পদায়নকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সদ্য ওএসডি হওয়া এবং দুর্নীতিতে অভিযুক্ত মোহাম্মদ বেলাল হোসেন চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে পরিচিত মোয়াজ্জেম হোসেন অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে এনবিআর-এ প্রভাব বিস্তার শুরু করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, মোয়াজ্জেম হোসেন সদস্য পদে পদোন্নতির পরপরই গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি ও বন্ডের দায়িত্ব পেয়ে যান, যা তার ক্ষমতাকে আরও পাকাপোক্ত করেছে। এনবিআর-এর অভ্যন্তরে কান পাতলে শোনা যায়, এক সময় এনবিআর পৃথকীকরণ আন্দোলনের প্রথম দিকে তার সম্পৃক্ততা থাকলেও ‘হাওয়া বদলাতে’ তিনি সে আন্দোলন থেকে সরে আসেন। এর ‘পুরষ্কার’ স্বরূপ তাকে পরবর্তীতে শুল্ক ও ভ্যাট প্রশাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তিনি তার বন্ধু এবং নিজস্ব একটি ‘পাওয়ার বলয়’ তৈরিতে মনোযোগ দেন।রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা ও ক্ষমতার প্রভাবএনবিআর সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেনের সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতাদের ঘনিষ্ঠতাও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, তিনি আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এবং বিমানবন্দর থানা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ফাতেমা জামান সাথীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। একটি অনুষ্ঠানে ফাতেমা জামান সাথীর কেক খাইয়ে দেওয়ার দৃশ্য সেই ঘনিষ্ঠতার প্রমাণ বহন করে। এই রাজনৈতিক সংযোগ তাকে এনবিআর-এর অভ্যন্তরে দ্রুত প্রভাব বিস্তারে সহায়তা করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।’ত্রয়ী সিন্ডিকেট’ ও এনবিআর-এর ভবিষ্যতএদিকে, বর্তমান এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান (যার বিরুদ্ধে নিজ আয়কর রিটার্নে অসত্য তথ্য প্রদানের অভিযোগ রয়েছে), দুর্নীতি ও অনিয়মের দায়ে সম্প্রতি ওএসডি হওয়া সদস্য মোহাম্মদ বেলাল হোসেন চৌধুরী এবং নবনিযুক্ত সদস্য মো. মোয়াজ্জেম হোসেনকে নিয়ে একটি প্রভাবশালী ‘সিন্ডিকেট’ তৈরি হয়েছে বলে বোর্ডজুড়ে গুঞ্জন। অভিযোগ উঠেছে যে, এই ত্রয়ীর যোগসাজশে এনবিআর-এর গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে, যা সংস্থার ভাবমূর্তি ও স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এমন পরিস্থিতিতে এনবিআর-এর মতো রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ রাজস্ব আহরণকারী প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।সূত্র :জুলকারনাইন সায়ের

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *