সর্বশেষ
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

গুগলকে কনটেন্ট অপসারণ অনুরোধ: সরকারের ব্যাখায় যা জানা গেল।

Spread the love

মোঃ শাহনুর রহমান লিমন, স্টাফ রিপোর্টার:

গুগলের প্রকাশিত ট্রান্সপারেন্সি রিপোর্টে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো কনটেন্ট অপসারণ অনুরোধ নিয়ে আলোচনা তৈরি হওয়ায় সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ ব্যাখ্যায় জানায় মিসইনফরমেশন, প্রোপাগান্ডা বা বেআইনি মানহানিকর তথ্য ছাড়া দেশের কোনো গণমাধ্যমের প্রতিবেদন, অনলাইন নিবন্ধ, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, ভিডিও, রিলস কিংবা রাজনৈতিক সমালোচনা মূলক কনটেন্ট অপসারণে কখনও কোনো প্ল্যাটফর্মকে অনুরোধ করা হয়নি।

সরকার বলছে, নাগরিকদের নিশ্চয়তা দেওয়া হচ্ছে গণমাধ্যম বা সমালোচনামূলক কনটেন্ট নয়, বরং শুধুমাত্র বেআইনি মানহানিকর তথ্য ও মিসইনফরমেশন-ভিত্তিক চরিত্রহননকারী কনটেন্ট অপসারণের অনুরোধই আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মাধ্যমে বিটিআরসিতে পাঠানো হয়।

সরকার আরও জানায়, বর্তমানে কোনো রাজনৈতিক দল বা সংস্থার বট বাহিনী বা সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণে গোপন ইউনিট পরিচালনা করা হয় না। বিটিআরসি বা এনটিএমসিসহ কোনো রাষ্ট্রীয় সংস্থার সরাসরি কনটেন্ট ডাউন করার ক্ষমতা নেই তাই প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মকে অনুরোধ জানাতেই হয়।

গুগলের রিপোর্ট বিশ্লেষণে দেখা যায়, জানুয়ারি-জুন ২০২৫ সময়ে বাংলাদেশ থেকে মোট ২৭৯টি অনুরোধ পাঠানো হয়েছে। যা আওয়ামী লীগ সরকারের (জুন-ডিসেম্বর ২০২২) পাঠানো ৮৬৭ অনুরোধের এক-তৃতীয়াংশেরও কম। এর আগের ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৪) অনুরোধ ছিল মাত্র ১৫৩টি যা আওয়ামী আমলের সর্বোচ্চ সংখ্যার সাড়ে পাঁচ ভাগের এক ভাগ।

এমনকি আওয়ামী আমলের সর্বনিম্ন সময়কাল (জুন-ডিসেম্বর ২০২৩) এর ৫৯১ অনুরোধের অর্ধেকেরও কম।এছাড়া, গুগল জানায় এ সময় পাঠানো ৬৫ শতাংশ অনুরোধ ‘নট এনাফ ইনফরমেশন’ ক্যাটাগরিতে পড়েছে, যা ইঙ্গিত করে এসব অনুরোধের পেছনে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য ছিল না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *