সর্বশেষ
মার্চ ২৯, ২০২৬

আমাকে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হচ্ছে: বিস্ফোরক মন্তব্য সাবেক কাউন্সিলর জামালের।

Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে সাবেক পৌর কাউন্সিলর সৈয়দ জামাল হোসেন এবং পলাশ চৌধুরী নামের এক ব্যক্তির মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও বিবৃতিতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পলাশ চৌধুরীর করা একটি পোস্টের পর এই বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে যেখানে তিনি সাবেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও বাড়ি দখলের মদদ দেওয়ার অভিযোগ তোলেন।​পলাশ চৌধুরী তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ জামাল হোসেন সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালিয়ে তার ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও দখলের সুযোগ করে দিয়েছেন।

তিনি অভিযোগ করেন জামাল হোসেন টাকার বিনিময়ে আব্দুল হক নামের এক ব্যক্তিকে বাড়ি দখল করে নিতে সহায়তা করেছেন। প্রমাণ হিসেবে পলাশ চৌধুরী হোয়াটসঅ্যাপের কিছু স্ক্রিনশট প্রকাশ করেন এবং প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান।​অন্যদিকে এই অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে পাল্টা বিবৃতি দিয়েছেন কমলগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ জামাল হোসেন।

newsbd24-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান পলাশ চৌধুরী নামের কাউকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না এবং তার অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।​সৈয়দ জামাল হোসেন বলেন ম্যারাথন অনুষ্ঠানের দিন একটি অপরিচিত নম্বর থেকে তার কাছে কল আসে এবং কলার নিজেকে পলাশ চৌধুরী পরিচয় দিয়ে জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলতে চান। ওই সময় ব্যস্ত থাকায় তিনি পরে কথা বলবেন বলে কলটি শেষ করেন। কিন্তু এর দুই দিন পর থেকেই তাকে জড়িয়ে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট করা শুরু হয়।

পলাশ চৌধুরীর ফেসবুকে পোস্ট করা ​হোয়াটসঅ্যাপ স্ক্রিনশট বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে পলাশ চৌধুরী এবং সৈয়দ জামাল হোসেনের মধ্যে মাত্র একবার কথা হয়েছে যার স্থায়িত্ব ছিল তিন মিনিট। এর আগে বা পরে কোনো মেসেজ বা কলের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। জামাল হোসেনের দাবি এই ৩ মিনিটের একটিমাত্র কলকে পুঁজি করে তাকে দীর্ঘদিনের পরিচিত বা সম্পৃক্ত প্রমাণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে যা হাস্যকর।​

সাবেক এই কাউন্সিলর আরও অভিযোগ করেন তাকে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং ভুয়া ফেসবুক পেজ ব্যবহার করে তার সম্মানহানি করা হচ্ছে। তিনি বলেন জায়গা সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে যদি তার নূন্যতম সম্পৃক্ততা পাওয়া যায় তবে তিনি প্রশাসনের দেওয়া যে কোনো শাস্তি মাথা পেতে নিতে রাজি আছেন।

অন্যথায় মিথ্যা অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।​বর্তমানে কমলগঞ্জে এই ইস্যুটি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সঠিক তদন্তের মাধ্যমেই কেবল এই ঘটনার প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *