দেশের বিনোদন মঞ্চে এক শোকঘন অধ্যায় ছিল ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, যখন নায়ক সালমান শাহ তাঁর ঢাকা নিউ এসকাটনের ফ্ল্যাটে রহস্যময়ভাবে মারা যান। পরবর্তীতে আত্মহত্যার রূপ দেওয়া হয়, কিন্তু আজ সার্জারি-রহস্য উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। ঘটনায় নাম রয়েছেসম্প্রতি আদালতের নির্দেশে হত্যার মামলা দায়ের হয়েছে ২৯ বছর পর। মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী সামিরা হক, শাশুড়ি লুসি (লতিফা হক) এবং ব্যবসায়ী আজিৎ মোঃ ভাই সহ আরো অজ্ঞাত সংখ্যক ব্যক্তি। হত্যার অভিযোগে বলা হয়েছে, লুসি-র মাধ্যমে ১২ লাখ টাকার কনট্যাক্টের ব্যবস্থা হয়েছিল এবং খলনায়ক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ‘ডন’ উপাধিতে পরিচিত এক ব্যক্তি। বিষয়টি দীর্ঘদিন গোপন রাখা হয়েছিলো।তদন্তের সংকটসালমান শাহ-এর বাবা প্রথমে ‘অস্বাভাবিক মৃত্যু’ মামলা করেন, পরে ‘হত্যা’ দাবি করেন। দীর্ঘ তদন্ত, আদালতে রিভিশন, কয়েক ধাপে শুনানি— সব মিলিয়ে ২০২৫ সালের আয়ুক্তি আদালত শেষ পর্যন্ত হত্যার রূপ পায়। প্রশ্নবাহী বিষয়এই দীর্ঘ পরবর্তী ঘটনায় হঠাৎ কেন নতুন করে মামলা হতে বিলম্ব হলো?লুসি-র কেমন সম্পর্ক ছিল জামাইয়ের সঙ্গে, এবং আসলে কেন ১২ লাখ টাকার ভাষ্য উঠে আসলো?সামিরার অবস্থান কি ছিল একান্ত, নাকি ছিল অংশীদারিত্ব?দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে এই তথ্য বাহির হওয়ার পর সমাজ-বিনোদনমঞ্চ ও ন্যায্য বিচার প্রক্রিয়ায় কি পরিমাণ প্রভাব ফেলবে?পরবর্তী ধাপবর্তমানে রামনা মডেল থানা এই মামলার তদন্তভার পেয়েছে। আদালত আগামী সময়পঞ্জি নির্ধারণ করেছে এবং দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। এই ঘটনায় বিনোদন জগত ও সাধারণ মানুষের মাঝে একধরনের রীতিমতো উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। যেহেতু তথ্য এখনও পুরোপুরি প্রকাশ হয়নি, তাই আইনগতভাবে নির্ধারিত প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত যেকোনো অনুমান প্রকাশ করা আবশ্যক নয়।

