সর্বশেষ
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

PR আন্দোলন শুধু মুখোশ” – নাহিদ ইসলামের সরাসরি অভিযোগ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে

Spread the love

নাহিদ ইসলাম বলেন, তাদের দলের মূল দাবি ছিল একটি উচ্চ কক্ষ (Upper House) গঠন, যেটি ভোটের শতকরা অংশ অনুসারে প্রতিনিধিত্ব পাবে—রাষ্ট্র ও সংবিধান নতুনভাবে গঠন করার রূপকার হবে।কিন্তু জামায়াতে ইসলামী আর তার মিত্ররা এই দৃষ্টিকোণকে ধ্বংস করে শুধুই একটি প্রযুক্তিগত PR বিষয় হিসাবে রূপ দেন এবং নিজেদের পার্টি-স্বার্থকে সামনে রেখে এটি আলোচনায় রূপান্তরিত করেন। নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট করলে, জামায়াতে ইসলামী এই সংস্কার আলোচনায় কখনও অন্তর্ভুক্ত হয়নি — পূর্ব বা পরবর্তী— এবং তাদের কোনো সাংবিধানিক দৃষ্টিভঙ্গি, গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র গঠন সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি নেই। এই আন্দোলন তিনি ব্যাখ্যা করেছেন — প্রত্যক্ষ সৎ উদ্দেশ্য নয়, বিপরীতে এটা একটি কৌশলগত অনুপ্রবেশ (tactical infiltration), অর্থাৎ “সংস্কারবাদী” ছদ্মবেশে রাজনৈতিক সোবার্থে সংঘটিত। কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে — গত বছর জুলাইয়ে শুরু হওয়া জনগণীয় অভ্যুত্থান, তার পরবর্তী সরকার পরিবর্তন ও জাতীয় সংলাপ — একাধিক বড় সংস্কারের দাবি সামনে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এই ধরনের PR-আন্দোলন শুধু নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে নয়, বরং সংবিধান, ক্ষমতার বিন্যাস ও রাষ্ট্রগঠন নিয়ে আলোচনায় মুখ্যধারাকে বিরত রাখা চেষ্টা হিসেবে দেখা যেতে পারে।নাহিদ ইসলাম দাবি করছেন, জনগণ বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে বুঝতে শুরু করেছে এবং তারা এখন ভুল সংস্কারবাদী বা অপচেষ্টা চালনের সুযোগ আর দেবে না। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটজামায়াতে ইসলামী একাধিক ইসলামি দলসহ “প্রাতিষ্ঠানিক PR সিস্টেম” দাবি করে এসেছে। জাতীয় সংলাপ ও রূপান্তর প্রক্রিয়ায় বেশ কয়েকটি দল-সংগঠন যুক্ত হয়েছে, যাদের কার্যকলাপ ও দাবি নাহিদ ইসলাম এবং NCP-এর দৃষ্টিকোণ থেকে অনুসন্ধানাধীন।সাধারণভাবে জামায়াতে ইসলামীসহ ইসলামি দলগুলোর অবস্থান পরিনত রাজনৈতিক রাজবাড়ীর অংশ হয়ে উঠেছে—কিছু স্বাধীন বিশ্লেষক বলছেন, তারা এখন পুরনো রাজনৈতিক ধারার পরিবর্তে “নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম” হিসাবে গঠন করছে। ভবিষ্যৎ করণীয়এই প্রেক্ষিতে যে বিষয়গুলো সামনে রয়েছে —জাতীয় সংলাপ ও সংস্কার কমিশনের কার্যপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।প্রস্তাবিত উচ্চ কক্ষ গঠন ও ভোট-প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন বিষয়ে বিস্তৃত জনভিত্তিক আলোচনা ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গ্রহণযোগ্য দৃষ্টিভঙ্গি প্রণয়ন।পার্টি-স্বার্থের চেয়ে গণতান্ত্রিক সংস্কারের উদ্দেশ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া।জনগণ সচেতন থাকলে, এমন কৌশলী রাজনৈতিক উদ্যোগগুলো সহজেই চিনে নিতে পারবে—যেমন এই PR আন্দোলন সন্দেহভাজন হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *