কমলগঞ্জ প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ২ নং পতনঊষার ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। এলাকার সর্বস্তরের মানুষের দাবির মুখে এই ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, নিরাপদ এবং ‘ইনসাফভিত্তিক স্মার্ট ওয়ার্ড’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে মাঠে নেমেছেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও তরুণ সমাজসেবক মোহাম্মদ জুনেদ আহমেদ। স্থানীয়ভাবে ‘জুনেদ মাস্টার’ হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তি গত ২৫ বছর ধরে নিভৃতে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে এলাকায় এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছেন।
পতনঊষার ইউনিয়নের রশিদপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া জুনেদ আহমেদের শৈশব ছিল কণ্টকাকীর্ণ। অল্প বয়সে পিতাকে হারানোর পর চরম প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। জীবনসংগ্রামের সেই শিক্ষা থেকেই তিনি এলাকার পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রেরণা পান। দীর্ঘ আড়াই দশক ধরে শিক্ষকতার মহান পেশায় নিয়োজিত থাকায় শিশু থেকে বৃদ্ধ—সবার কাছেই তিনি এক পরম শ্রদ্ধার ব্যক্তিত্ব।
জুনেদ আহমেদের পারিবারিক ঐতিহ্যও অত্যন্ত সমৃদ্ধ। তার চাচা মোহাম্মদ আব্দুল নূর বাংলাদেশ সরকারের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে তার এক চাচাতো বোন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এমন উচ্চশিক্ষিত ও প্রভাবশালী পারিবারিক পটভূমি থাকা সত্ত্বেও জুনেদ মাস্টার মাটির মানুষ হিসেবেই এলাকায় পরিচিত।
নির্বাচনী ভাবনার বিষয়ে মোহাম্মদ জুনেদ আহমেদ জানান, নির্বাচিত হলে তার প্রথম লক্ষ্য হবে ৪ নং ওয়ার্ডে ন্যায়বিচার বা ‘ইনসাফ’ প্রতিষ্ঠা করা। তিনি অঙ্গীকার করেন, এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করবেন এবং একটি আধুনিক ডিজিটাল ওয়ার্ড হিসেবে এটিকে রূপান্তর করবেন। এ ছাড়া যুব সমাজকে মাদক ও ধ্বংসাত্মক পথ থেকে দূরে রাখতে নিয়মিত বিনামূল্যে শিক্ষামূলক কর্মশালার আয়োজন করবেন।
এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠ ও সচেতন যুবসমাজের মতে, জুনেদ আহমেদের মতো একজন সৎ ও শিক্ষিত মানুষ জনপ্রতিনিধি হিসেবে আসলে ওয়ার্ডের সামগ্রিক চেহারা পাল্টে যাবে। তারা মনে করেন, একজন আদর্শ শিক্ষকের হাতে ওয়ার্ডের দায়িত্ব থাকলে তা হবে পতনঊষার ইউনিয়নের মধ্যে একটি রোল মডেল বা ‘স্মার্ট ওয়ার্ড’। বর্তমানে ৪ নং ওয়ার্ডের আপামর জনসাধারণ জুনেদ আহমেদকে মেম্বার হিসেবে দেখতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

