২০২৫ সালের জুলাই মাসে গৃহীত জাতীয় সনদে সাক্ষর শেষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে একটি গ্রুপ ছবিতে অংশ নেন।এই ছবি মুহূর্তে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, কারণ এতে অন্যান্যের মধ্যে বিএনপি, জামায়াত, নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলনসহ কয়েকটি উপাদান পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মোট ২৫টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি স্বাক্ষর করেন। ছবিতে অংশ নেওয়া নেতারা বলেন, এই গ্রুপ ছবি যেন নতুন ঐতিহ্য রচনায় একটি সংকেত — “রঙ্কভেদ ভুলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ঐক্য” — এমন প্রতিস্রুতি। এক নেতার ভাষ্য, “এই ছবিটি আন্দোলনের নয়, নতুন বৈচিত্র্যময় রাজনৈতিক গতিশীলতার প্রতিফলন”।ছবিটি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই এটিকে “স্বাক্ষর মূহুর্তের প্রতিলিপি” বা “ঐতিহাসিক সাক্ষ্য” বলে অভিহিত করছেন। বিশেষ করে, সংগৃহীত ছবিতে যারা স্বাক্ষর করেননি — তাদের অনুপস্থিতি ও নোট অব ডিসেন্ট (ভিন্নমত) চিহ্নিত করেছে রাজনৈতিক সমালোচকরা। এ সময় অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন — এই ছবির উদেভাষ কি শুধু চাক্ষুষ স্মারক, নাকি একটি নতুন রাজনৈতিক ঘোষণা? শুধু ছবি নয়, রাজনৈতিক বার্তা বহন করতে পারে এমন এই দৃশ্য আরও গভীর বিশ্লেষণের দাবি রাখে।ছবিতে অংশ নেওয়া ও উপস্থিতির সময়কার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অনুষ্ঠানে স্বাক্ষর কার্যক্রম শেষে একটি শান্তিপূর্ণ মুহূর্তে নেতারা একত্রিত হন। কোনো বিশাল উত্কণ্ঠা বা হিংসার ঘটনা রিপোর্ট হয়নি। তবে ছায়াসঙ্গী আলোচনা শুরু হয়েছে — কিছু দল স্বাক্ষর না করায় তারা ভবিষ্যতে কোন অবস্থান নেবে?এই গ্রুপ ছবি শুধু একটি দৃষ্টি আকর্ষণ নয় — রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন প্রেক্ষাপটের সূচনা হতে যাচ্ছে কি না, সেটিই এখন দর্শকের অপেক্ষা।
