টোকিওতে অনুষ্ঠিত একটি প্রস্তুতির ম্যাচে প্রথমার্ধ শেষে ব্রাজিল ২–০ এগিয়ে ছিল। শুরুর দিকে they seemed firmly in control. দ্বিতীয়ার্ধে এক অত্যাশ্চর্য পুনরুদ্ধার শুরু হয়, বিশেষ করে তখন থেকে যখন জাপানের পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামলেন জুনিয়া ইতো। তাঁর খেলা প্রবেশের পর থেকে ৩৬ মিনিটে ৫টি সুযোগ তৈরি ও ২টি অ্যাসিস্ট বলেন দিয়েছে ইতোর প্রভাব। তার থেকেই জাপানের সমতা গোল এবং তাঁকেই ক্রেডিট দেয়া যায় ম্যাচ জেতানো গোলের অ্যাসিস্টের জন্য। ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ইতোর সেই “ক্যামিও”-র পর। জাপান শেষ পর্যন্ত ৩–২ জয় हासिल করে, এবং এটিই ইতিহাসে প্রথমবার জাপান ব্রাজিলকে হারাল। —মাইলফলকভাবে ইতোর “ক্যামিও মুহূর্ত”পরিবর্তের পর মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই ইতো মাঠে এক নতুন গতি এনে দেনদ্বিতীয়ার্ধে তাঁর দক্ষ আক্রমণাত্মক পাসিং ও সঠিক ক্রস ম্যাচের রূপান্তর ঘটায়উভয় গোলেই মূল ভূমিকা তাঁর অ্যাসিস্টে — প্রথমে কেইতো নাকামুৰা গোল করেন, পরে উদা হেডারে গতি যোগ করেন এই ধরনের ইনপ্যাক্ট যেকোনো খেলায় খুব কম দেখা যায়, বিশেষ করে এমন উচ্চস্তরের প্রতিদ্বন্দ্বিতায়যদিও অনেক খেলোয়াড় দাপট দেখিয়েছেন, তবে এই ম্যাচে সব দৃষ্টিই ইতোর দিকে। শেষ পর্যন্ত ইতিহাস গড়ার পেছনে এক “সাবস্টিটিউট হিরো” হিসেবে নজরকাড়া যায় তাঁর অবদান।—বিশ্লেষণ ও প্রতিফলনপ্রথমার্ধে দুই গোলে এগিয়ে থেকেও ব্রাজিলের কেঁপে পড়া রক্ষণ ও মনোবল দ্বিতীয়ার্ধে ধাক্কা খায়ইতোর ক্রিয়েটিভিটি, সময় নির্বাচন ও দলীয় সমন্বয় জাপানকে দাপটে আনতে সহায়ক হয়েছেব্রাজিলের ইতিহাসে এটিই প্রথমবার এমন দৃষ্টান্ত — জাপানকে হারানো। এই ম্যাচটি শুধু জাপানের জন্য নয়, ইতোর ক্যারিয়ারে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে

