সর্বশেষ
মার্চ ২১, ২০২৬

আগেই পদত্যাগ করেছিলেন, তবুও কেন বহিষ্কার? মুখ খুললেন নূরে আলম হামিদী।

Spread the love

মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি:

দলীয় শৃঙ্খলা ও গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ তাদের দুই শীর্ষ নেতাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করেছে। বহিষ্কৃত নেতারা হলেন সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা নাসির উদ্দিন মুনির এবং মাওলানা শেখ নূরে আলম হামিদী।


​জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রচার সম্পাদক মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
​সংগঠনটির পক্ষ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংগঠনের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম ‘মজলিসে আমেলা’র এক জরুরি বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন এবং সাংগঠনিক নিয়ম অমান্য করার কারণে তাদের বিরুদ্ধে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।


​তবে সংগঠনের এই সিদ্ধান্তকে ‘চরম অবিচার ও জুলুম’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সদ্য বহিষ্কৃত যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা শেখ নূরে আলম হামিদী। দলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর তিনি নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।


​ফেসবুক পোস্টে মাওলানা হামিদী দাবি করেন, তিনি গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। তিনি বলেন, “আমি সংগঠনের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলদের নিকট আমার পদত্যাগপত্র প্রেরণ করেছিলাম। কিন্তু আমার পদত্যাগের বিষয়টি গোপন রেখে আমাকে ‘বহিষ্কার’ করা হয়েছে মর্মে নোটিশ প্রকাশ করা আমার প্রতি চরম অবিচার।”


​তিনি দলের এই সিদ্ধান্ত এবং প্রচারণাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। মাওলানা হামিদীর এই বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।


​এদিকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংগঠনের শৃঙ্খলা ও ঐক্য বজায় রাখতে নীতিনির্ধারণী ফোরাম যে কোনো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বদ্ধপরিকর। তবে মাওলানা নাসির উদ্দিন মুনির এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *