Jamaat-e-Islami এর আমীর ডা. শফিকুর রহমান গত এক বক্তব্যে ঘোষণা দিয়েছেন, “আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছি। এই দুর্নীতি সমাজ থেকে নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আমাদেরকে কেউ থামাতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।” এই কঠিন প্রতিশ্রুতিকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়েছে।বক্তব্য সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদি তার নেতৃত্বে সরকার গড়তে পারেন, তবে সংসদ সদস্য বা মন্ত্রীদের সরকারি প্লট, ট্যাক্সমুক্ত গাড়ি নেওয়া যাবে না; প্রতিটি টাকাকে জনগণের কাছে স্বচ্ছভাবে তুলে ধরতে হবে। এই প্রতিশ্রুতির প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, শফিকুর রহমানের এ পরিকল্পনা একটি “দুর্নীতি বিরোধী পুলিশি অভিযানের” অগ্রযাত্রা হিসেবে দেখা হচ্ছে, তবে বাস্তবায়ন ও রাজনৈতিক চাপে এটি পরীক্ষাসাপেক্ষ।এর আগে বিভিন্ন রায়ে এবং রাজনৈতিক বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান দুর্নীতি ও অনিয়মকে কঠোরভাবে সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে, যারা দুর্নীতির মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে আছেন, তারা জনগণের বিশ্বাস হারাচ্ছে এবং নতুন এক দায়িত্বপ্রতিষ্ঠা গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি রাজনৈতিক অঙ্গনে সামাজিক ন্যায় ও আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সম্ভাব্য অবদান রাখতে চান। পাশাপাশি, দুর্নীতি দমন ও “ন্যায্য বিচার” প্রক্রিয়া কঠোরভাবে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যদিও এই ধরনের ঘোষণা নতুন নয় — কিন্তু যদি বাস্তবিক কর্মসূচিতে রূপ পায়, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারে বড় ধারা সৃষ্টি করতে পারে।

