নাচোল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধি,মোঃ ইসমাইল হোসেন:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ৬ মাস ধরে বন্ধ হয়ে আছে মেসার্স সুইটি ফিলিং স্টেশন, নাচোল উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগীরা তেলের সংকটে হাহাকার। কবে ভাইয়ে ভাইয়ে দ্বন্দ্ব, তাই এ জের ধরে থাকলে চলবে না, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৪৪ – ২ আসনের এমপি ড. মিজানুর রহমান আশস্ত করেন শীঘ্রই এ সমাধান হবে ইনশাআল্লাহ, নাচোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ভারপ্রাপ্ত) বলেন এ ব্যাপারে কথা হয়েছে, খুব শীঘ্রই এ সংকট সমাধানের জন্য বলা হয়েছে।
তেলের সংকট দেখা দেওয়ায় , মল্লিকপুর ফিলিং স্টেশন,ধানসুরা ফিলিং স্টেশন মাঝে মাঝে অল্প করে তেল পাওয়া যায়, যা দিয়ে মানুষের চাহিদা পুরন সম্ভব না, ভোক্তারা দাবি করেন, যাদের গাড়ির কাগজ ও হেলমেট সহ ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে, তারা তেল পাই। এ ব্যপারে জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহলের ব্যক্তিরা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহনের চালক ও সাধারণ মানুষ।সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত অনেক ফিলিং স্টেশনে তেল না থাকায় পাম্পগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
কোথাও কোথাও সীমিত পরিমাণ তেল বিক্রি করা হলেও মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, বাস ও ট্রাকচালকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। এতে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বাড়ছে দুর্ভোগ।চালকদের অভিযোগ, হঠাৎ করে তেলের সংকট দেখা দেওয়ায় তারা নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না। বিশেষ করে পণ্যবাহী ট্রাক ও গণপরিবহনের চালকরা বেশি সমস্যায় পড়েছেন।
অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাচ্ছেন না বলে জানান।এদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাবেও জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা এবং সম্ভাব্য সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহ ও দাম নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর প্রভাব স্থানীয় বাজারেও পড়তে শুরু করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।ফিলিং স্টেশন মালিকরা জানান, সরবরাহ কম থাকায় তারা নিয়মিত তেল পাচ্ছেন না।
যে পরিমাণ তেল আসছে তা দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে অনেক সময় বাধ্য হয়ে ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখতে হচ্ছে।তেলের এই সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে পরিবহন চলাচল ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

