সর্বশেষ
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

সুদূর চীন থেকে মৌলভীবাজারের পুত্রবধূ হতে এলেন ক্রিস হুই।

Spread the love

ডেক্স রিপোর্ট, newsbd24live
​মৌলভীবাজার:

প্রেম মানে না কোনো সীমানা, মানে না কোনো ভাষা বা সংস্কৃতির বাধা। সেই চিরন্তন সত্যকে আবারও প্রমাণ করলেন মৌলভীবাজারের রাজনগরের সুকান্ত সেন ও চীনের সাংহাইয়ের তরুণী ক্রিস হুই। সুদূর চীন থেকে প্রেমের টানে এবং বাঙালি রীতিতে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে বাংলাদেশে এসেছেন এই চীনা কন্যা।


​বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) প্রথমে আকাশপথে ঢাকা এবং পরবর্তীতে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে সরাসরি রাজনগর উপজেলার তারাপাশা টিকা পাড়া গ্রামে বর সুকান্তের নিজ বাড়িতে অবতরণ করেন তারা। হেলিকপ্টারে বিদেশি পুত্রবধূ আসার খবরে পুরো এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। শত শত কৌতূহলী মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন সুকান্তের বাড়িতে।


​জানা গেছে, রাজনগরের প্রয়াত স্বপন কুমার সেন ও শিল্পী রানি সেনের ছেলে সুকান্ত সেন ২০১৮ সালে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে চীনে যান। সেখানে মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর একটি চাকরিতে যোগ দেন তিনি। কয়েক বছর আগে কাজের সূত্রেই পরিচয় হয় সাংহাইয়ের বাসিন্দা ক্রিস হুইয়ের সাথে। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব এবং পরবর্তীতে তা প্রেমে রূপ নেয়।
​নিজেদের সম্পর্কের বিষয়ে সুকান্ত জানান, ২০২৩ সাল থেকে তারা দুজনে মিলে চীনে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে তাদের বিবাহের আইনি রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়।

তবে সুকান্তের ইচ্ছা ছিল নিজের জন্মভূমিতে বাঙালি আচার-অনুষ্ঠানে ধুমধাম করে বিয়ে করার। সেই ইচ্ছা থেকেই ক্রিস হুই তার বাবা-মা এবং চাচাকে নিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন।
​বাংলাদেশে আসার পর উচ্ছ্বসিত ক্রিস হুই বলেন, “আজকের দিনটি আমার জন্য অত্যন্ত বিশেষ। সুকান্তের সাথে বাংলাদেশে আসতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।

আমার বাবা-মাও সাথে এসেছেন। এখানকার মানুষের ভালোবাসা দেখে আমি মুগ্ধ।”
​সুকান্ত বলেন, “আমার ইচ্ছে ছিল বিশেষ কিছু করার, তাই স্ত্রীকে নিয়ে হেলিকপ্টারে সরাসরি বাড়িতে এসেছি।

আমার এলাকার মানুষ এবং পরিবারের সবাই এতে খুব খুশি।”
​পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২১, ২২ এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি তিন দিনব্যাপী বিভিন্ন মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। বিদেশি পুত্রবধূকে বরণ করতে রাজকীয় সাজে সাজানো হয়েছে পুরো বাড়ি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *