ডেক্স রিপোর্ট, newsbd24live:
অবশেষে দীর্ঘ উৎকণ্ঠার অবসান ঘটল, তবে তা বয়ে আনল দুঃসংবাদ। ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশে নিখোঁজ হওয়া ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের এটিআর ৪২-৫০০ (ATR 42-500) বিমানটির ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করা হয়েছে। আজ ১৮ জানুয়ারি (রোববার) সকালে মাউন্ট বুলুসারাউং পাহাড়ের দুর্গম চূড়ায় বিমানটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পান অনুসন্ধানকারীরা।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও স্থানীয় উদ্ধারকারী সংস্থার বরাতে জানা যায়, গত ১৭ জানুয়ারি (শনিবার) দুপুরে বিমানটি রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিখোঁজ হয়। বিমানটিতে ৩ জন যাত্রী ও ৮ জন ক্রুসহ মোট ১১ জন আরোহী ছিলেন।
দুর্গম পাহাড়ে বিধ্বস্ত
অনুসন্ধানকারী দল জানিয়েছে, বিমানটি মারোস এলাকার মাউন্ট বুলুসারাউং পাহাড়ের চূড়ায় বিধ্বস্ত হয়েছে। রবিবার সকালে আকাশপথে অনুসন্ধানের সময় পাহাড়ের ওপর বিমানের ধ্বংসাবশেষ দৃষ্টিগোচর হয়। স্থানটি অত্যন্ত দুর্গম এবং পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় সেখানে পৌঁছানো উদ্ধারকর্মীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উদ্ধার কাজে প্রকৃতির বাধা
ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করা হলেও উদ্ধার অভিযান এখনো পুরোদমে শুরু করা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনাস্থলে আবহাওয়া অত্যন্ত প্রতিকূল। ঘন কুয়াশা এবং ঝোড়ো বাতাসের কারণে হেলিকপ্টার ল্যান্ড করতে পারছে না। তবে সেনাবাহিনী ও স্থানীয় উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা স্থলপথে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
আরোহীদের ভাগ্য এখনো অনিশ্চিত
বিমানে থাকা ১১ আরোহীর ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরই হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা জানা যাবে। তবে পাহাড়ের চূড়ায় যেভাবে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে, তাতে বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। আরোহীদের স্বজনদের মধ্যে চলছে শোকের মাতম।
উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়ার এভিয়েশন সেক্টরে এর আগেও পাহাড়ি এলাকায় বিমান দুর্ঘটনার নজির রয়েছে। আবহাওয়া এবং ভৌগোলিক অবস্থান অনেক সময় পাইলটদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

