কালিয়া উপজেলা প্রতিনিধি, মোঃ ছাব্বির খান:
কলাবাড়ীয়া ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বাবর সিকদার, যিনি বিএনপি কলাবাড়ীয়া ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক। তাঁর বিরুদ্ধে ব্রিজের চাঁদা, হাটের চাঁদা, সরকারি কাজের চাঁদা আদায় এবং এলাকায় মারামারির একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া কলাবাড়ীয়া ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি খান মিয়া বাবুল সিকদারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও তার ডান হাত হিসেবে পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, খান মিয়া আগে দিপুর সঙ্গে আওয়ামী লীগ করলেও বর্তমানে আওয়ামী লীগের কিছু নেতা-কর্মীকে আশ্রয় দিয়ে এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, এই চক্রের সঙ্গে আরও যারা জড়িত তারা হলো—হান্নান শেখ ও তার ছেলে তোজান শেখমস্ত শেখ ও তার ছেলে আপন শেখরাজু শেখ ও জাহিদুল কাজিএরা সবাই মিলে একটি সংঘবদ্ধ দল হিসেবে এলাকায় চাঁদা আদায় ও শারীরিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ।এমনকি মেয়েদের জোর কইরা তুলে নিয়ে ধর্ষণের সাথে জারিত।
এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন—মিজানুর শেখ, আজিবার মোল্লা, দুলু শেখ, কাজি শেখ, তামিম মুন্সি ও আতিক মিয়া।বিশেষ করে আতিক মিয়া-এর ওপর প্রায় এক মাস আগে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। আতিক মিয়া একা বাড়িতে বসবাস করতেন এবং তিনি একজন সম্পত্তির মালিক।
অভিযোগ রয়েছে, তার গাছের নারিকেল চুরি করে নেওয়ার সময় তিনি বাধা দিয়ে।বিষয়টি বিচার চাইতে খান মিয়ার কাছে যান। এরপর হান্নান শেখ ও মস্ত শেখের নির্দেশে খান মিয়া শেখ ও বাবর সিকদার ও আপন শেখ ও তুজাম শেখ তার ওপর ভয়ংকর হামলা চালানো হয়।
ঘটনার প্রমাণ হিসেবে আঘাতের ছবিও রয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশ তাদের হাতে থাকায় এবং বিএপির সিনিয়র রাজনীতিবিদের কারণে ভয়ে আতিক মিয়া মামলাও করতে পারেননি বলে অভিযোগ। এলাকাবাসীর দাবি, এই চক্রটি যাকে-তাকে মারধর করতেছে এবং সাধারণ মানুষ আতঙ্কে রয়েছে।
দিন দিন নিরীহ মানুষের উপরে চড়াও হচ্ছে বলে দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসী এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছে।

