ডেস্ক রিপোর্ট | newsbd24live:
আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঢাকা-৮ আসনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এদিকে, গুলিবিদ্ধ হাদিকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে গিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন একই আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, জুমার নামাজ শেষে রিকশাযোগে মতিঝিল বিজয়নগর কালভার্ট এলাকা অতিক্রম করছিলেন শরিফ ওসমান হাদি। এ সময় মোটরসাইকেলে আসা দুই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তার গতিরোধ করে অতর্কিত গুলি চালায়। গুলিতে হাদির বাম কানের নিচের অংশ জখম হয়।
হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে স্থানীয়রা ও তার সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেক) তার চিকিৎসা চলছে।
এদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ছুটে যান বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা আব্বাস। তবে হাসপাতালে পৌঁছামাত্রই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হন তিনি। সেখানে উপস্থিত ইনকিলাব মঞ্চের কর্মী ও হাদির সমর্থকরা মির্জা আব্বাসকে দেখা মাত্রই উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তারা বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে শুরু করেন এবং একপর্যায়ে তার দিকে তেড়ে যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসপাতাল চত্বরে উত্তজনা ছড়িয়ে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসেন সেখানে দায়িত্বরত সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
সেনাসদস্যদের কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীরে মধ্যে মির্জা আব্বাসকে হাসপাতালের ভেতরে প্রবেশ করানো হয়। তবে বাইরে তখনো হাদির সমর্থকদের বিক্ষোভ ও স্লোগান অব্যাহত ছিল।
ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনের আগেই এমন সহিংসতা ও হাসপাতালে হট্টগোলের ঘটনায় সাধারণ ভোটার ও জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।

