সর্বশেষ
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

হাবিপ্রবিতে মশার উপদ্রবে উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীরা, ভ্রুক্ষেপ নেই প্রশাসনের

Spread the love

হাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) মশার উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। বিশেষ করে আবাসিক হলগুলোতে সন্ধ্যার পর থেকে মশার আক্রমণে স্বাভাবিক পড়ালেখা, বিশ্রাম ও দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হলের নিচতলা ও আশপাশের এলাকায় মশার সংখ্যা ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, হলগুলোর সামনে কিছুটা পরিষ্কার করা হলেও পেছনের অংশ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত রয়েছে। সেসব জায়গায় আবর্জনার স্তূপ জমে তৈরি হয়েছে নোংরা পরিবেশ, যা শুধু মশাই নয়, বিভিন্ন পোকামাকড় ও মাঝে মাঝে বিষধর সাপের আবাসস্থলে পরিণত হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি আতঙ্কও ছড়িয়ে পড়েছে।আবাসিক শিক্ষার্থী তানভীর হাসান তন্ময় বলেন, “হলের রুমে ঠিকমতো থাকা যায় না।

প্রতিদিন সন্ধ্যার পর মশার আক্রমণ সহ্য করা অসম্ভব হয়ে যায়। শুধু সন্ধ্যায় নয়, দিনের বেলাতেও মশার অত্যাচারে রুমে থাকা যায় না। ক্যাম্পাসে ফগিং বা লার্ভিসাইডিংয়ের কোনো কার্যক্রম দেখা যায় না।”এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. শামসুজ্জোহা বলেন, “এই বিষয়টি আমরা প্রশাসনকে আগে থেকেই জানিয়ে আসছি। কিন্তু তারা বাজেট, লোকবল আর ওষুধ সংকটের কথা বলছে। তারপরও আমরা শিক্ষার্থীদের নিশ্চিত করছি, বিষয়টি সমাধানে শিগগিরই উদ্যোগ নেওয়া হবে।

”অন্যদিকে ডেপুটি চিফ ফার্ম সুপারিনটেনডেন্ট এস. এইচ. এম. গোলাম সরোয়ার বলেন, “এটা সরাসরি আমাদের বিভাগের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। হলগুলোর মশা নিয়ন্ত্রণের কাজ মূলত হল সুপারের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত হয়। হলগুলোর কাছেই স্প্রে করার ব্যবস্থা থাকে এবং তারাই এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে থাকে।”জিয়া হলের হল সুপার ডঃ আবু খায়ের মোঃ মুক্তাদিরুল বারী চৌধুরীর সঙ্গে কথা বললে বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছেশিক্ষার্থীদের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে শীতের মৌসুমেও ডেঙ্গুসহ নানা মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি আরও বেড়ে যেতে পারে।

ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা, মশা নিধন কার্যক্রম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা জোরদার করে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত আবাসিক পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *