সর্বশেষ
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

ইমাম-মুয়াজ্জিন-খাদেমদের বঞ্চনার গল্পঃদায়িত্ব বেশি, সম্মানী কম

Spread the love

জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

বর্তমান সময়ে সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সম্মানজনক দায়িত্ব পালন করছেন মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমগণ। তবে তাদের জীবনযাত্রা ও আর্থিক বাস্তবতা যেন এর সম্পূর্ণ বিপরীত।একদিকে তারা মুসল্লিদের সঠিক পথ দেখাতে, নামাজ আদায় করাতে, ইসলামি শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে রাতদিন পরিশ্রম করছেন। অন্যদিকে বেশিরভাগ মসজিদে তাদের মাসিক সম্মানী অপ্রতুল ও অনেক ক্ষেত্রে নিয়মিতও না।অনেক জায়গায় একজন ইমামকে মাসে ৩-৫ হাজার টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হয়।

মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের অবস্থা আরও করুণ।বিশেষত গ্রামীণ মসজিদগুলোতে এই অবস্থা আরও উদ্বেগজনক।একজন ইমামকে শুধু নামাজ পড়ানোই নয়- বিয়ে, দোয়া মাহফিল, জানাজা, ইসলামি শিক্ষা, এমনকি সমাজিক বিরোধ মীমাংসার মতো দায়িত্বও পালন করতে হয়। কিন্তু সেই দায়িত্বের মূল্যায়ন হয় না সম্মানীর দিক থেকে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মুয়াজ্জিন বলেন, যে সম্মানি পাই তা দিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে সংসারের ব্যয়ভার বহন করা খুবই কষ্টসাধ্য।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনেকেই মনে করছেন, ইমাম-মুয়াজ্জিন-খাদেমদের যথাযথ সম্মানী নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।স্থানীয় প্রশাসন, ধর্ম মন্ত্রণালয় এবং সমাজের সচেতন ব্যক্তিদের উচিত তাদের পাশে দাঁড়ানো।এখন প্রয়োজন সম্মানীর সুনির্দিষ্ট নীতিমালা এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ। ইসলামের এই খেদমতকারীদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে ভবিষ্যতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামো হুমকির মুখে পড়তে পারে।শুধু দোয়া নয়, চাই অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও সম্মান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *