মোঃ মাইউদুর রহমান লিও, মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি“বাংলাদেশ আমার অহংকার”—এই শ্লোগানকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ দমন, জঙ্গি নির্মূল, অবৈধ অস্ত্র–মাদক উদ্ধারসহ আলোচিত অপরাধীদের গ্রেফতারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।
ধারাবাহিক গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক দক্ষতার মাধ্যমে র্যাব ইতোমধ্যে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে।এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১০ নভেম্বর ২০২৫ সকাল ৬টার দিকে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের চর ডুমুরিয়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এসময় গ্রেফতারকৃত আসামি জিয়াসহ আরও ১০০–১২০ জন সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোকজন ধারালো চাপাতি, রামদা, বন্দুক, পিস্তল, চাইনিজ কুড়াল, ককটেল, হকি স্টিক, লোহার রডসহ দেশি-বিদেশি অস্ত্র নিয়ে আরিফ মীরের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়।সকালে দাঁত ব্রাশ করতে ঘর থেকে বের হলে আসামিরা আরিফ মীরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
গুলি তার বুকে লেগে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। এরপর হামলাকারীরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটাতে ঘটাতে রায়হান খাঁ’য়ের বাড়িতে যায় এবং তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে রায়হান খাঁ গুরুতর আহত হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে ১১ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
একই ঘটনায় মোট দুইজনের মৃত্যু হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। ঘটনাটি ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচারিত হলে আরও আলোচনার জন্ম দেয়।ঘটনার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-১ নারায়ণগঞ্জের আভিযানিক দল ১৯ নভেম্বর বিকেল ৪টায় মুন্সীগঞ্জ সদর থানাধীন নৈর পুকুরপাড় ঈদগাঁ সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে জোড়া খুনের এই চাঞ্চল্যকর মামলার এজাহারনামীয় ৫৫ নম্বর আসামি জিয়া সরকার (৫৩), পিতা মৃত জেদ্দাল সরদার, সাং- নওদা (নোয়াদ্দা), থানা- সদর, জেলা- মুন্সীগঞ্জ—কে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

