মোঃ শাহনুর রহমান লিমন, ঢাকা জেলা, বিশেষ প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০১ জন প্রগতিশীল শিক্ষক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঘোষিত রায়কে “সাজানো, মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” আখ্যায়িত করে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো ডক্টর মাহবুব আলম প্রদীপ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে তাঁরা বলেন এই রায় ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও জনগণের প্রতি প্রকাশ্য অবমাননা।ট্রাইব্যুনালকে ‘ক্যাঙারু কোর্ট’ বললেন শিক্ষকরা বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বর্তমানে পক্ষপাতদুষ্ট, স্বৈরাচারী আচরণে নিমজ্জিত হয়ে “ক্যাঙারু কোর্টে” পরিণত হয়েছে।
তাঁদের ভাষায়, সাজানো প্রমাণ, মিথ্যা সাক্ষ্য ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা সেখানে বিচারকার্যের স্থান দখল করেছে।শিক্ষকদের মতে, দেশের তিন মেয়াদের সফল প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেওয়া এই রায় বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার ইতিহাসে কলঙ্ক হয়ে থাকবে।
‘ষড়যন্ত্রমূলক এই রায় জনতাই বাতিল করেছে’বিবৃতিতে শিক্ষকরা আরও বলেন “বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী জনগণ জানে, এই রায় বিদ্বেষমূলক, ষড়যন্ত্রমূলক ও পূর্বপরিকল্পিত। দেশের মানুষ ইতোমধ্যেই এই প্রহসন প্রত্যাখ্যান করেছে।”তাঁদের দাবি, এই রায় শুধু শেখ হাসিনাকে নয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং জাতির সম্মিলিত মর্যাদাকেই আঘাত করেছে।জনতার পাশে থাকার ঘোষণাবিবৃতির শেষাংশে শিক্ষকরা ঘোষণা করেন “আমরা প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ জনগণের সঙ্গে সংহতি জানাচ্ছি। ক্যাঙারু কোর্টের প্রহসনমূলক রায় ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।

