বিশ্বের অন্যতম প্রযুক্তি নেতা Elon Musk যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম শহর New York City-র মেয়র পদপ্রার্থী Zohran Mamdani-কে ‘আকর্ষণীয় প্রতারক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি তার সামাজিকতান্ত্রিক নীতিগুলো বাস্তবায়িত হলে “জীবনযাত্রার মানে বিধ্বস্ত হুমকিতে থাকবে” বলে আগাম সতর্কতা দিয়েছেন। মাস্ক একটি পাবলিক সাক্ষাৎকারে বলেন – “তিনি ঝাঁকি দিয়ে শব্দ শোনান, মঞ্চে আলোড়ন তুলতে জানেন; কিন্তু সারাজীবন ধরে আমি মনে করি তিনি প্রতারক।” তিনি আরও যুক্ত করেছেন, “যদি তাঁর নীতিগুলি বড় পরিসরে বাস্তবায়িত হয়, শুধু ধনী নয়, সকলের জন্যই জীবনযাত্রার মান হঠাৎ করে বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।” —কেন এই বিতর্ক এত গুরুত্বপূর্ণ?আমেরিকার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচন এক দৃষ্টিকোণ থেকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ — কারণ এর ফলাফল শুধু স্থানীয় নয়, জাতীয় কাঠামোয় ও প্রভাব ফেলতে পারে। মমদানি সামাজিক-উদার নীতিগুলো নিয়ে প্রচার করছেন, যেমন: কর বৃদ্ধির মাধ্যমে মুক্ত বাস পরিষেবা, সর্বজনীন শিশুসেবা এবং নিয়ন্ত্রিত ভাড়া বাড়ি নির্মাণ। মাস্কের এই মন্তব্য এমন সময় এসেছে, যখন যাঁর বিরুদ্ধে মমদানির জনপ্রিয়তা বেশ দৃঢ় এবং নির্বাচনের দিকে দৃষ্টি বদ্ধ রয়েছে। —মমদানির পরিকল্পনা ও গতিসূত্রমমদানি দ্রুতগতিতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন যুব সহ বিভিন্ন সমাবেশে। তাঁর প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে:ভাড়াবৃদ্ধি স্থগিত করা ও নিয়ন্ত্রিত ভাড়ার বাড়ি নির্মাণকর বৃদ্ধির মাধ্যমে উচ্চ আয়ের ব্যক্তিদের থেকে অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহকর্পোরেট কর বৃদ্ধি করাশহরের বাস পরিষেবা মফত বা অত্যন্ত সাশ্রয়ী করাএই নীতিগুলো বেশ উদ্ভাবনী ও বিপ্লবী হলেও মেয়র পদে বাস্তবায়িত হলে সরকারি বাজেট ও কার্যকারিতা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে — এমনটাই মনে করছেন মাস্ক ও অনেকে।—বিশ্লেষণিক দৃষ্টিভঙ্গিমাস্কের মন্তব্য থেকে প্রতীয়মান যে, প্রযুক্তি ও বাণিজ্যিক নেতারা মমদানির নীতিতে বিভীষিকা দেখছেন, কারণ তাদের ব্যবসায়ী স্বার্থ ও কর কাঠামো পরিবর্তনের আশঙ্কা রয়েছে।অন্যদিকে, মমদানি উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক গতিময়তায় রয়েছেন, যুব-সমর্থক প্রান্তে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন।নির্বাচনের আগে এই ধরনের পাবলিক বিতর্ক ভোটারদের মনোরূপর ওপর নির্দিষ্ট কিছু ভাবনার উদ্রেক করতে পারে — অর্থনীতি, কর, ভাড়াবৃদ্ধি, সামাজিক সেবা এবং ব্যবসার পরিবেশ সহ।আগামী দিনে নিউ ইয়র্ক সিটির জীবনের গতিপ্রকৃতি ও মেয়র পদে নির্বাচিত ব্যাক্তির কার্যক্রম আন্তর্জাতিক নজরে রইবে।

