আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ঘোষণা করেছে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৩৭টি আসনের প্রাথমিক দলের প্রার্থী তালিকা। এর মধ্যে দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া তিনটি আসনে ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একটিতে মনোনয়ন পেয়েছেন।তালিকায় রয়েছে ১০ জন নারী প্রার্থী। কিন্তু তালিকায় অনিয়ন্ত্রিত রয়েছে উল্লেখযোগ্য অনুপস্থিতি — দলীয় স্থায়ী কমিটিতে থাকা অনেক হেভিওয়েট নেতার নাম রয়েছে না ঘোষণা তালিকায়।চট্টগ্রামে মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়া এক নেতা-কর্মীর সমর্থকরা সড়ক অবরোধ ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেছেন। সরকারের আশঙ্কা রয়েছে যে এসব মনোনয়ন বিভাজন বা আগাম ঘোষণা সদস্যদের মধ্যে কোন্দল বাড়িয়ে তুলতে পারে।এদিকে, অপর একটি বিষয় হলো — অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে একটি “ঐক্যবদ্ধ নির্দেশনা” গঠন করার জন্য এক সপ্তাহ সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। গণভোটসহ সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত প্রস্তাবের ওপর দলগুলো নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সরে আসার পথে রয়েছে।বিএনপি বলছে এটি “প্রাথমিক তালিকা” এবং পরে সংশোধন হতে পারে। দলীয় একটি সূত্র বলছে, ৬৩টি আসন intentionally ফাঁকা রাখা হয়েছে যাতে মিত্র দল অথবা জোটদল জন্য আসন রুকেছে।বিশ্লেষকরা বলছেন — এই মনোনয়ন তালিকার পাঠ থেকে বোঝা যায় দল কোন বার্তা দিচ্ছে: এক দিকে নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়ছে, অন্য দিকে সিনিয়র অনেক নেতার বাদ পড়া বলছে পরিবর্তনের সংকেত। তবে এর সঙ্গে রয়েছে ‘ভিতরে কোন্দল’ ও ‘আসন-বণ্টন’ চাপ।আগামী কয়েক সপ্তাহে মনোনয়ন ফরম পূরণ, সাক্ষাৎ ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পরবর্তী চমকও আসতে পারে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।

