সর্বশেষ
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

হাসনাত আবদুল্লাহর বোমা: ডিসি ভাগাভাগির ষড়যন্ত্র ফাঁস!

Spread the love

অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে প্রশাসনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে রাজনৈতিক ভাগাভাগির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ সম্প্রতি এ বিষয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে দাবি করেছেন যে, কয়েকটি রাজনৈতিক দল সচিবালয়ে গিয়ে ডিসি ভাগাভাগি করছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক দলগুলো সুবিধা অনুযায়ী ডিসি পদগুলো নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিচ্ছে, যার ফলে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব নিয়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগের মূল সুরটি ছিল নির্দিষ্ট কিছু জেলার ডিসি পদে রদবদল নিয়ে। তিনি সরাসরি উল্লেখ করেন, “ডিসি ভাগাভাগি চলছে। যেমন চট্টগ্রামে দুইটা ডিসি নিবো, উত্তরবঙ্গে দুই ডিসি ছাড়তে হবে। রাজনৈতিক দলগুলা এখন এভাবে ডিসি ভাগাভাগি করছে।”প্রশাসনে এই ভাগাভাগির প্রক্রিয়ায় বিএনপি ও জামায়াতের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তোলেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তাঁর ভাষায়, “প্রশাসনে বিএনপি ও জামাতের ভাগাভাগি বিষয়ে একথা বলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।” যদিও তিনি কোন পরিস্থিতিতে বা কার সঙ্গে এই ভাগাভাগি হচ্ছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি, তবে তাঁর এই মন্তব্য দেশের রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রের মধ্যেকার পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।প্রশাসনে এমন রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য একটি স্বাধীন ও পেশাদার প্রশাসনের প্রয়োজনীয়তা প্রশ্নবিদ্ধ করে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি এই অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে তা প্রশাসনের চেইন অব কমান্ড এবং কর্মকর্তাদের মনোবলকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, যা দেশব্যাপী সুশাসনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বা সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে এই অভিযোগের কোনো তাৎক্ষণিক আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে হাসনাত আবদুল্লাহর মন্তব্য দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। আগামীতে এই ইস্যুতে আরও বিতর্ক ও আলোচনার জন্ম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *