চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যযুদ্ধ নতুন মোড় নিচ্ছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ঘোষণা দিয়েছেন, “চীনের অর্থনৈতিক দমননীতির জবাবে আমরা মাথা নত করব না। এটা চীন বনাম গোটা বিশ্ব।”বুধবার ওয়াশিংটন ডিসির ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বেসেন্ট ও মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার চীনের সাম্প্রতিক রেয়ার আর্থ রপ্তানি নিষেধাজ্ঞাকে “বিশ্ব সরবরাহ চেইন দখলের চেষ্টা” হিসেবে আখ্যা দেন।বেসেন্ট বলেন, “যদি চীনা সরকার বৈশ্বিক অর্থনীতিকে বাধাগ্রস্ত করে, তার সবচেয়ে বড় ক্ষতি হবে নিজ দেশেরই। আমরা ও আমাদের মিত্ররা কেউই চীনের নির্দেশে চলব না।”গ্রিয়ার জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন এবং প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার রপ্তানিতেও কড়া নিয়ন্ত্রণ আসতে পারে। তবে তিনি আশাবাদী যে বেইজিং আলোচনায় ফিরে আসবে।রেয়ার আর্থ খনিজ পদার্থ ব্যাটারি, বৈদ্যুতিক যান, টেলিভিশন, স্মার্টফোন এবং সোলার প্যানেল তৈরিতে অপরিহার্য উপাদান। চীন বিশ্বের বড় অংশের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে।এদিকে, তিন দফা আলোচনার পরও চীন এখনও টিকটক ইউএস বিক্রয়ের অনুমোদন দেয়নি এবং গত মে মাস থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষকদের কাছ থেকে সয়াবিন কেনাও বন্ধ রেখেছে।বর্তমানে ৯০ দিনের জন্য চীনের সঙ্গে শুল্কবিরতি কার্যকর আছে, যা ভবিষ্যতে আরও বাড়ানো হতে পারে যদি চীন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে।বেসেন্ট বলেন, “আমরা একা নই। আমাদের মিত্ররাও আমাদের পাশে আছে। চীনের আগ্রাসী নীতির জবাবে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবো।”সূত্র: WION

