আন্তর্জাতিক বিরতির দুই ম্যাচেই বাংলাদেশ ফুটবল দলকে ভালো সুযোগ ছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তে নির্ধারিত সিদ্ধান্ত ও একাদশে পরিবর্তনের অমীমাংসিত দিকেই ভর করলো সমালোচনার বাণ।প্রথম ম্যাচে যে হার—সে একাধারে শোকনীয় এবং দূর্ভাগ্যজনক। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে, যেখানে দল ইতিমধ্যে পরিবর্তিত চিত্র দেখিয়েছে—সেই ম্যাচে যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, তা জয়ের রাস্তা বন্ধ করে দিল।সেকেন্ড হাফে যে উত্কণ্ঠা ও স্পন্দন ফুটে উঠেছিল, তা দেখেই বোঝা যায়—সাহসিক একাদশে কোনো পরিবর্তন এনে যদি আক্রমণাত্মক ধারা বজায় রাখত, তাহলে সুযোগ ছিল তিন পয়েন্ট আলাদা করে আনতে। কিন্তু সিদ্ধান্তগুলি—বিশেষ করে কাব্রেরার পরিকল্পনা ও পরিবর্তন—সেখানেই বাধা হয়ে দাঁড়ালো।তবে, একেবারে অবান্তর নয় এই হার। সমীকরণ অনুযায়ী এখনও কিছু পথ খোলা আছে—কোয়ালিফাই করার সম্ভাবনা মুছে যায়নি। তবে বাস্তবতার আলোকে—যেখানে শেষ মুহূর্তের ভুল ও অভিজ্ঞতার অভাব—সেখানে সেই সম্ভাবনা অনেকটা ফিকে হয়ে এসেছে।সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হলো দলটির সামগ্রিক অগ্রগতি। এই বাছাইপর্বে নতুনভাবে চিনেছি এই বাংলাদেশ—বলেছি, তারা ভাঙতে পারে পুরনো ধ্যান-ধারণা। অনেকেই বলছেন, এটাই সেই মুহূর্ত যখন ‘নতুন বাংলাদেশ’ দর্শক সামনে উপস্থাপন করেছে নিজেকে, ভবিষ্যতের আলো দেখিয়েছে।কিন্তু, আগামী ম্যাচগুলোতে সিদ্ধান্ত, একাদশ বিন্যাস ও ম্যাচ পরিকল্পনায় আরও স্পষ্টতা ও সাহসিকতা আনতে হবে—নয়তো এই আশা জনিত দলও হার মানবে।

