যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা FAO–র সদরদফতর প্রাঙ্গণে আজ সোমবার মর্যাদাপূর্ণ অভ্যর্থনা পেলেন বাংলাদেশের চিফ অ্যাডভাইজার প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। FAO প্রধান Qu Dongyu নিজে গেটের সামনে এসে ইউনূসকে হাতে হাত রেখে অভ্যর্থনা জানান।এই শুভাগমন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন FAO–র শীর্ষ কর্মকর্তা ও অন্যান্য প্রতিনিধিরা। সংবাদদাতাদের provided তথ্য অনুযায়ী, ইউনূসের এই সফর World Food Forum (WFF)–এ অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে। চিফ অ্যাডভাইজারের সংবাদদপ্তর জানায়, আজ তিনি WFF-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে মূল বক্তৃতা দেবেন। এরপর তিনি FAO–র Global Alliance অফিস পরিদর্শন করবেন এবং বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবে। পরিকল্পিত বৈঠকসমুহে থাকছে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভা, রোমের মেয়র রবার্তো গ্যুয়ালতিরি ও জিবুতি দেশের প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে আলাপ। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনাটি বাংলাদেশের সার্বিক আন্তর্জাতিক উপস্থিতি ও খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি নীতি, উন্নয়ন সহযোগিতা ইত্যাদি ক্ষেত্রে কূটনৈতিক গুরুত্বের সূচনা।—বিশ্লেষণ ও গুরুত্ব1. কূটনৈতিক সঙ্কেতQu Dongyu–র সরাসরি অভ্যর্থনা ইউনূসের প্রতি FAO–র শ্রদ্ধা ও গুরুত্বের প্রতীক।2. বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের নামবিশ্ব খাদ্য ও কৃষি আলোচনায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে পরিবেশিত হওয়া, দেশকে একটি মেধাবী ও সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে তুলে ধরবে।3. নীতিগত প্রভাবWFF–এ অংশগ্রহণ ও বৈঠকসমূহ ভবিষ্যতে খাদ্য ও কৃষি নীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে উন্নয়ন সহযোগিতা ও বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে।4. সাক্ষাৎ ও চুক্তি সম্ভাবনাবৈঠকগুলোর পর নতুন চুক্তি, সহমত ও সংযুক্ত উদ্যোগের সূচনা হতে পারে।

