সর্বশেষ
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

রুমিন ফারহানাসহ ৯ নেতাকে ছেঁটে ফেলল বিএনপি!

Spread the love

ডেস্ক রিপোর্ট | newsbd24live:

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অভিযোগে দলের অন্তত নয়জন সিনিয়র নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের মতো পরিচিত মুখ।


​মঙ্গলবার দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই বহিষ্কারাদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে অভিযুক্তদের বহিষ্কার করা হলো।
​দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বহিষ্কৃত নেতাদের অনেকেই আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়াই তাদের বহিষ্কারের প্রধান কারণ।

এর আগে রুমিন ফারহানা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছিলেন, যা দলের নীতিমালার পরিপন্থী বলে গণ্য হয়েছে।
​যাদের বহিষ্কার করা হয়েছে
বহিষ্কারের এই তালিকায় রুমিন ফারহানা ও মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ছাড়াও রয়েছেন দলের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তারা হলেন—বিএনপি নেতা মোহাম্মদ শাহ আলম, হাসান মামুন, আব্দুল খালেক, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব তরুণ দে, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব, সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ।


​সোমবার ছিল নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। এই নির্বাচনে বিএনপি ও তাদের জোটের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু দলের নির্দেশ অমান্য করে যারা স্বতন্ত্রভাবে মাঠে নেমেছেন, তাদের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে দলের চেইন অব কমান্ড বা শৃঙ্খলা ঠিক রাখতেই হাইকমান্ড এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *