সম্প্রতি ছাত্রশিবির কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের প্রায় ৭০ হাজার এ+ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছে। পাশাপাশি নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম ও বিজ্ঞান মেলার মতো নানা সৃজনশীল কার্যক্রম আয়োজন করছে।অন্যদিকে, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠছে— তারা মেধাবী শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করার মতো কী উদ্যোগ নিয়েছে? সমালোচকরা বলছেন, ছাত্রদল এ ধরনের কোনো সৃজনশীল কর্মসূচি না করে বরং প্রশ্ন তুলছে, “ছাত্রশিবির এত টাকা কোথায় পেলো?”শিক্ষার্থীদের একাংশের সরল প্রশ্ন:👉 একজন মেধাবী শিক্ষার্থী কেন ছাত্রদল করবে?👉 গত এক বছরে কতজন নেতা জিয়াউর রহমান বা জাতীয়তাবাদ নিয়ে বই পড়েছেন?👉 নেতারা কি আদৌ শিক্ষার্থী, নাকি কেবল পদ-পদবির পেছনে ছুটছেন?এ অভিযোগও রয়েছে যে, ছাত্রদলের বহু জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতারই ছাত্রত্ব নেই। তারা কর্মীদের যোগ্যতা বৃদ্ধির জন্য কোনো সৃজনশীল কার্যক্রম গ্রহণ করছেন না, বরং সময় ব্যয় করছেন প্রতিদ্বন্দ্বী সংগঠনের সমালোচনায়।সমালোচকরা বলছেন, গত ১৭ বছরের জেল-জুলুম আর ত্যাগ স্বীকারের পরও ছাত্রদল নতুন কোনো দিশা দেখাতে পারেনি। বরং নেতৃত্বের অনীহা ও আত্মসমালোচনার অভাবের কারণে সংগঠনটি ধীরে ধীরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের কাছে অগ্রহণযোগ্য হয়ে পড়ছে।তাদের পরামর্শ— ভাঙা কাঠামো নিয়ে অকারণ সংঘাত না করে, ছাত্রদলকে নতুনভাবে সাজাতে হবে এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করার মতো কর্মসূচি হাতে নিতে হবে।

