সর্বশেষ
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ফের যুদ্ধের দামামা? সিরিয়ায় আমেরিকার বিশাল অভিযান, টার্গেট আইএস।

Spread the love

​ডেস্ক রিপোর্ট, newsbd24live:


​সিরিয়ায় জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (১০ জানুয়ারি) মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ও সহযোগী বাহিনী যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। সিরিয়ায় আইএসের হাতে দুই মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিশোধ হিসেবে ‘অপারেশন হকআই স্ট্রাইক’ নামে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়।


​সেন্ট্রাল কমান্ডের এক বিবৃতির বরাতে জানা যায়, শনিবার ইস্টার্ন টাইম দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিরিয়া জুড়ে আইএসের একাধিক ঘাঁটিতে এই বৃহৎ আকারের হামলা চালানো হয়।
​এর আগে, গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর সিরিয়ার পালমিরায় আইএসের এক বন্দুকধারীর হামলায় দুই মার্কিন সেনা এবং একজন বেসামরিক দোভাষী নিহত হন। নিহত সেনারা হলেন—আইওয়া ন্যাশনাল গার্ডের ২৫ বছর বয়সী সার্জেন্ট এডগার ব্রায়ান টরেস টোভার এবং ২৯ বছর বয়সী সার্জেন্ট উইলিয়াম নাথানিয়েল হাওয়ার্ড।

এই হত্যাকাণ্ডের সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবে ১৯ ডিসেম্বর ‘অপারেশন হকআই স্ট্রাইক’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। নিহত দুই সেনা আইওয়া অঙ্গরাজ্যের হওয়ায় তাদের সম্মানে অভিযানের এই নামকরণ করা হয়েছে।
​আইএসকে পরাজিত করার মার্কিন মিশনের (অপারেশন ইনহেরেন্ট রিজলভ) অংশ হিসেবে চলতি বছরের শুরুতে আইওয়া ন্যাশনাল গার্ডের প্রায় ১,৮০০ সেনা মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন শুরু হয়েছিল। ডিসেম্বরের ওই হামলায় আরও তিন গার্ড সদস্য আহত হয়েছিলেন।


​একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শনিবারের অভিযানে দুই ডজনেরও বেশি যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়। এতে ৯০টিরও বেশি সুনির্দিষ্ট যুদ্ধাস্ত্র (precision munitions) ব্যবহার করে ৩৫টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।


​হামলার পর সেন্ট্রাল কমান্ড তাদের বার্তায় কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমাদের বার্তা স্পষ্ট—যদি আপনারা আমাদের যোদ্ধাদের ক্ষতি করেন, তবে আমরা বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে আপনাদের খুঁজে বের করব এবং হত্যা করব। আপনারা ন্যায়বিচার এড়ানোর জন্য যত চেষ্টাই করুন না কেন, রেহাই পাবেন না।


​মধ্যপ্রাচ্যে আইএসকে দমনের দীর্ঘস্থায়ী মিশনের অংশ হিসেবে শত শত মার্কিন সেনা এখনও সিরিয়ায় মোতায়েন রয়েছে। ‘অপারেশন হকআই’-এর মূল লক্ষ্য হলো সিরিয়ায় আইএসের অবশিষ্ট অংশ এবং ওই অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর জন্য হুমকি সৃষ্টির সক্ষমতাকে বড় ধরনের আঘাত করা।
​উৎস: সিএনএন (CNN)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *