সর্বশেষ
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

‘নারী ও কন্যাদের প্রতি ডিজিটাল সহিংসতা বন্ধে ঐক্যবদ্ধ হই’

Spread the love

মোঃ শাহনুর রহমান লিমন, স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকাঃ

ঢাকার বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ কনভেনশন সেন্টারে “নারী ও কন্যাদের প্রতি ডিজিটাল সহিংসতা বন্ধে ঐক্যবদ্ধ হই” স্লোগানে ২০২৫ সালের বৈশ্বিক ১৬ ডেজ অব অ্যাক্টিভিজম এগেইনস্ট জেন্ডার-বেইজড ভায়োলেন্স উদ্বোধন করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ।

জাতিসংঘ ও লোকাল কনসালটেটিভ গ্রুপের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা, কূটনৈতিক মিশন, সিভিল সোসাইটি ও প্রযুক্তিখাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।উদ্বোধনী বক্তব্যে শারমীন এস মুরশিদ জানান, সাইবার স্পেসে নারীর ঝুঁকি বাড়ছে।

ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৫৯ শতাংশ নারী অনলাইনে হয়রানির শিকার এবং ভুক্তভোগী ৯০ শতাংশ অভিযোগ করলেও আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় অপরাধীদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে। তিনি বলেন, ডিজিটাল সহিংসতা রোধে একক মন্ত্রণালয়ের প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়; রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।

মন্ত্রণালয়ের কুইক রেসপন্স টিম ২৪ ঘণ্টা ভুক্তভোগীদের সহায়তায় প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ এনডিসি শক্তিশালী আইন ও জনসচেতনতার ওপর গুরুত্ব দেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ বলেন, ডিজিটাল সহিংসতা বৈশ্বিক সংকট এবং এ বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ প্রয়োজন।বিশ্বব্যাংকের তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, বিশ্বের ৪০ শতাংশেরও কম দেশে সাইবার হ্যারাসমেন্ট বা সাইবারস্টকিং প্রতিরোধে নারীদের সুরক্ষার আইন রয়েছে। ফলে ১.৮ বিলিয়ন নারী ও কন্যা এখনো আইনগত সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত।অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল এবং সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইক্স বিদ্যমান আইনের কার্যকর প্রয়োগ ও যৌথ লড়াইয়ের বার্তা দেন। ইউএন উইমেন প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিংহ বলেন, ডিজিটাল সহিংসতার কোনো সীমানা নেই এবং এটি নারীর জনজীবনে অংশগ্রহণ ব্যাহত করছে।

অনুষ্ঠানের শেষে “বাংলাদেশে প্রযুক্তি-নির্ভর সহিংসতা প্রতিরোধ: ঘাটতি, চ্যালেঞ্জ ও সুপারিশ” শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, যা পরিচালনা করেন যুগ্ম সচিব দিলারা বেগম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *