মোঃ শাহনুর রহমান লিমন, স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকাঃ
দুই দশকেরও বেশি সময় পর খুলনা সফরে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ সোমবার সকাল ১১টায় তিনি ঢাকার গুলশান থেকে হেলিকপ্টারে খুলনার উদ্দেশে রওনা হবেন। সফরের অংশ হিসেবে খুলনা ও যশোরে দুটি বড় নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।দলীয় সূত্র জানায়, দুপুর ১২টায় খুলনার খালিশপুরে প্রভাতী স্কুল মাঠে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান।
এরপর দুপুর ১টায় তিনি খুলনা থেকে যশোরের উদ্দেশে যাত্রা করবেন। যশোরের বিরামপুর সরকারি আদর্শ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় অংশ নেওয়ার পর বিকাল ২টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়ে বিকাল ৪টার দিকে গুলশানের বাসায় ফিরবেন তিনি। বিএনপি চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।তারেক রহমানের সফরকে ঘিরে খুলনা ও যশোর অঞ্চলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।
আয়োজকরা আশা করছেন, জনসভায় কয়েক লাখ মানুষের উপস্থিতি হবে। ইতোমধ্যে মঞ্চ নির্মাণসহ সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে এবং দলীয় জ্যেষ্ঠ নেতারা মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতি তদারকি করছেন। এই জনসভায় খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেবেন তারেক রহমান। উল্লেখ্য, তিনি সর্বশেষ ২০০৪ সালে খুলনা সফর করেছিলেন।খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, “চেয়ারম্যানকে সামনে পেয়ে সাধারণ মানুষ তার বক্তব্য শুনতে মুখিয়ে থাকবে।
আমরা সুন্দর ও সুশৃঙ্খল একটি আয়োজন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”খুলনা-২ আসনের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, “তারেক রহমান নিজ হাতে আমাদের পরিচয় করিয়ে দেবেন এতে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। খুলনার সমস্যা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবেন।” এদিকে, যশোরেও তার আগমনকে কেন্দ্র করে জোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জনসভা নির্বিঘ্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি দলীয় পর্যায়েও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
খালিশপুর থানার ওসি মো. তোহিদুজ্জামান জানান, জনসমাবেশ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
সমাবেশে আগতদের যাতায়াত পথ সার্বক্ষণিক নজরদারিতে থাকবে এবং আলাদা পার্কিং ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।প্রসঙ্গত, গত ২২ জানুয়ারি সিলেট থেকে নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরু করেন তারেক রহমান। এরপর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধারাবাহিক জনসভা শেষে ২২ থেকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে মোট ২২টি নির্বাচনী সমাবেশে অংশ নেন তিনি।

