সর্বশেষ
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

ট্রাম্পের হুকুমে ভেনিজুয়েলায় ‘বড় ধরনের’ হামলা, আটক মাদুরো দম্পতি।

Spread the love

ডেস্ক রিপোর্ট:


আন্তর্জাতিক রাজনীতির ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনার জন্ম দিল যুক্তরাষ্ট্র। ভেনিজুয়েলায় বড় ধরনের বিমান হামলা চালানোর পর দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে নিয়ে গেছে মার্কিন বাহিনী। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মার্কিন আইনশৃঙ্ক্ষলা বাহিনীর সহযোগিতায় পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে মাদুরোকে আটক করে ভেনিজুয়েলা থেকে বের করে নিয়ে আসা হয়েছে।


​এই খবর ছড়িয়ে পড়ার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগেই ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। স্থানীয় সময় শনিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে এই অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


​ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেছেন, আমেরিকা ভেনিজুয়েলা এবং এর নেতা নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে একটি বড় মাপের হামলা সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে আটক করে দেশটির বাইরে নিয়ে আসা হয়েছে। এই অভিযানটি মার্কিন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত হয়েছে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে। ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোতে সকাল ১১টায় একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই বিষয়ে আপনাদের মনোযোগের জন্য ধন্যবাদ।


​যদিও মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে বর্তমানে কোথায় রাখা হয়েছে বা কারাকাসে ঠিক কী ধরনের হামলা চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে এই ঘোষণার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী পিট হেগসেথ ট্রাম্পের পোস্টটি শেয়ার করেন, যা ঘটনার সত্যতা আরও জোরালো করে।


​এদিকে, ভেনিজুয়েলার সরকার জানিয়েছে তারা তাদের প্রেসিডেন্টের কোনো খোঁজ পাচ্ছে না। দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক অডিও বার্তায় বলেন, আমরা প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং ফাস্ট কমব্যাট্যান্ট সিলিয়া ফ্লোরেসের অবিলম্বে জীবিত প্রমাণ বা প্রুফ অফ লাইফ দাবি করছি।

ভেনিজুয়েলার সরকার জানে না তাদের বর্তমানে কোথায় রাখা হয়েছে।
​আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্র এবং লাতিন আমেরিকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক ভয়াবহ উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। কারাকাসের আকাশে বিস্ফোরণের শব্দ এবং এরপরই ট্রাম্পের এমন ঘোষণা বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতার জন্ম দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *