নাচোল প্রতিনিধি,মোঃ ইসমাইল হোসেন:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার ভেরেন্ডী গ্রামের রাজুর গভীর নলকূপের আওতাধীন ৬ -৭ বিঘা জমির কালাই সহ চাষ করেছে সন্ত্রাসীরা, এ বিষয় এ জানতে চাওয়া হলে জমির মালিক সফিকুল ইসলাম বলেন, মোঃ বশির উদ্দীনের জালিয়াতি দলীলের পেক্ষিতে তার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা হলেন,১. মোঃ শহিদুল ইসলাম (৩৮), পিতা মোঃ সোহবুল হক, ২. মোঃ বাদশা মিয়া (৫০), পিতা – আঃ সাত্তার, ৩. মোঃ আনোয়ার হোসেন (৫২), পিতা মৃত আঃ সাত্তার, ৪. মোঃ সফিকুল ইসলাম (৫০), পিতা মৃত তবু মন্ডল।
এদের দ্বারা ১৮ তারিখ ডিসেম্বর ২৫ রোজ বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজ জমিতে কালাই তুলতে গিয়ে সহিদুল,সফিকুল সহ আরোও কয়েক জন সন্ত্রাসী হাশুয়া,লাঠিসোঁটা নিয়ে জমির মালিক তরিকুল ইসলাম এর উপর চওড়া হলে তার পুত্র মারিফুল ইসলাম এগিয়ে আসলে তার উপর চওড়া হলে তৎক্ষনাৎ মর্জিনার উপর বাশ দিয়ে আঘাত করে, পরে গভীর নলকূপের ড্রাইভার ও তার পিতা দুলু এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়, সেদিন বিকেলে আনুমানিক বিকেল ৪ টার দিকে মর্জিনা ও তার ছেলে থানায় আসেন অভিযোগ দিতে, ডিউটি অফিসার এ এস আই ইউসুফ ওসির সাথে আলাপ করবে পরে আসতে বলে,
কিন্তু সন্ত্রাসীরা থানায় এসে উল্টো ভূক্তোভোগী পুলিশ পরিবারের ওপর অভিযোগ দায়ের করেন, এ ক্ষেত্রে অভিযোগ নেন এ এস আই ইউসুফ আলি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবেন, কিন্তু তদন্ত শেষ করে বাড়িতে চলে যান ছুটিতে,ছুটি শেষে মিমাংসা করার কথা, কিন্তু ভূক্তোভোগীর পরিবার থানায় কোন সহোযোগিতায় অনাস্থা জ্ঞাপন করেন, এ জন্য ছুটে যান ইউপি চেয়ারম্যান সফিকুলের কাছে, তখন নোটিশ করেন উভয় পক্ষকে ৩/১/২০২৬ তারিখে ইউনিয়ন পরিষদে বসলে সন্ত্রাসীরা জোর পূর্বক জমি চাষাবাদ করবে সাফ জানিয়ে চলে যায়, এমতাবস্থায় চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম লিখিত দেন আপনার কোর্টে অভিযোগ দায়ের করেন।
ভূক্তোভোগির পরিবারের একটায় দাবি, তারা পুলিশ পরিবারের সদস্য হয়েও কেন নায্য বিচার পেলেন না, এবং কালাইয়ের ১ লক্ষ টাকা ক্ষতি পূরন দাবি পূর্বক সন্ত্রাসীদের সব্বোর্চ শাস্তির জন্য আইজিপি মহোদয়ের সহায়তা কামনা করেন।

