সর্বশেষ
মার্চ ১৯, ২০২৬

কেন এখনই তাইওয়ান দখল করতে পারছে না চীন জানুন পর্দার পেছনের কারণ

Spread the love

ডেস্ক রিপোর্ট, newsbd24live:


​তাইওয়ান ইস্যুতে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা থাকলেও নিকট ভবিষ্যতে দেশটিতে কোনো সামরিক অভিযানের সম্ভাবনা দেখছে না মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। ২০২৬ সালের বার্ষিক থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্টে জানানো হয়েছে যে ২০২৭ সালের মধ্যে বেইজিং তাইওয়ান আক্রমণ করার কোনো পরিকল্পনা করছে না। বেইজিং এখনো শক্তি প্রয়োগের চেয়ে শান্তিপূর্ণ উপায়ে একীভূতকরণ প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।


​বুধবার প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ২০২৭ সালকে পশ্চিমা বিশ্বে চীনের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি সময়সীমা হিসেবে দেখা হলেও এর অর্থ এই নয় যে ওই সময়েই আক্রমণ হবে। মার্কিন গোয়েন্দা সম্প্রদায়ের মূল্যায়ন অনুযায়ী চীনা নেতৃত্ব এখনো মনে করে যে যুদ্ধের ঝুঁকি অনেক বেশি এবং এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর বা কম্পিউটার চিপ উৎপাদন এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে তাইওয়ান প্রণালীর ওপর যুদ্ধের প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী।


​বিশ্লেষকদের মতে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দুর্নীতিবিরোধী শুদ্ধি অভিযান সামরিক বাহিনীর সক্ষমতাকে কিছুটা প্রভাবিত করেছে। সম্প্রতি প্রায় ১০০ জন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাকে অপসারণ করা হয়েছে যা অদূর ভবিষ্যতে বড় কোনো যুদ্ধের সম্ভাবনাকে কমিয়ে দিয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে ২০২৭ সালে আক্রমণ না হলেও ২০৩০-এর দশকে ঝুঁকি বাড়তে পারে। চীন ২০৪৯ সালের মধ্যে তাইওয়ানকে নিজেদের মূল ভূখণ্ডের সাথে যুক্ত করার দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।


​অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে ব্যস্ত থাকায় চীন এই অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা এবং অস্ত্র বিক্রয় অব্যাহত থাকলেও ওয়াশিংটন সরাসরি যুদ্ধে জড়াবে কি না তা নিয়ে এখনো তাদের কৌশলগত অস্পষ্টতা বজায় রেখেছে।
​সূত্র: আল জাজিরা ও রয়টার্স

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *