সর্বশেষ
ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬

কলেজ গেট এলাকার উন্নয়নে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর সুদৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ কামনা

Spread the love

​মোঃ কামরুল ইসলাম, রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি:​

রাঙামাটির কলেজ গেট এলাকার নাগরিক দুর্ভোগ নিরসন, কাঁচা বাজার স্থাপন এবং মাদক নির্মূলে পার্বত্য তিন জেলার অভিভাবক ও মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ও বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সমাজসেবকবৃন্দ।​সম্প্রতি এক বিবৃতিতে কলেজ গেট ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শাহা আমানত পাড়া সমাজের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন শাহা আমানত এলাকার পক্ষ থেকে কয়েকটি জরুরি সমস্যার কথা তুলে ধরেন।​১. স্থায়ী কাঁচা বাজার ও গণশৌচাগার নির্মাণ​কলেজ গেট এলাকায় বর্তমানে কোনো স্থায়ী কাঁচা বাজার নেই।

অস্থায়ীভাবে যা আছে, তা সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গার ওপর অবস্থিত। যেকোনো সময় উচ্ছেদ হওয়ার ঝুঁকিতে থাকায় ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতারা চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকায় কোনো পাবলিক টয়লেট বা গণশৌচাগার না থাকায় সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জনস্বার্থে এখানে দ্রুত একটি স্থায়ী বাজার ও শৌচাগার নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে।​নদীপথের কচুরিপানা পরিষ্কার​বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, মন্ত্রী পাড়ার পেছন থেকে হ্যাচারি পাড়া এলাকা পর্যন্ত পুরো নদী কচুরিপানায় ঢেকে গেছে। এর ফলে হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত বন্ধের উপক্রম হয়েছে।

মানুষ অনেক দূর থেকে এসে নদীর এই অচলাবস্থার কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। নৌ-চলাচল স্বাভাবিক করতে দ্রুত এই কচুরিপানা অপসারণের অনুরোধ করা হয়েছে।​মাদক নির্মূলে ‘জিরো টলারেন্স’ ​তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে কলেজ গেট এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। মোঃ কামাল হোসেন বলেন,​আমাদের যুব সমাজকে বাঁচাতে হবে। এই যুব সমাজ যদি না বাঁচে, তবে দেশ কখনো উন্নত হবে না। কলেজ গেট এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে আমরা মাননীয় মন্ত্রীর কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

​বিবৃতিতে তিনি বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আশা ব্যক্ত করেন যে, জনদুর্ভোগ লাঘবে মন্ত্রী মহোদয় দ্রুত এই দাবিগুলো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *