মোঃ শাহনুর রহমান লিমন, স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকাঃ
চলতি সপ্তাহেই গঠিত হতে পারে নতুন সরকার, এবং নতুন প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন কোথায় হবে, তা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর মিন্টো রোডের ‘যমুনা’ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনই প্রধান প্রার্থীর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। বর্তমানে ওই ভবনে অবস্থান করছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি বাসভবন খালি করলে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে ভবনটি নতুন প্রধানমন্ত্রীর প্রয়োজন অনুযায়ী প্রস্তুত করা হবে।পূর্ববর্তী সরকারের সময় শেরেবাংলা নগরের ‘গণভবন’ ছিল প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন, কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগের পর বিক্ষুব্ধ জনতার হামলায় গণভবনে ব্যাপক ভাঙচুর হয়। পরে এটি ‘৩৬ জুলাই জাদুঘর’ হিসেবে রূপান্তরিত হয়েছে। ফলে নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিকল্প বাসভবনের প্রয়োজন দেখা দেয়।সরকারি সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্ধারণে নিরাপত্তা, পরিবার ও চলাচলের সুবিধা, নাগরিকদের অসুবিধা এড়ানো এবং বিদেশি অতিথি ও গণমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধা বিশেষভাবে বিবেচিত হয়।
এসব কারণে ‘যমুনা’কে উপযুক্ত মনে করা হচ্ছে।গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের কমিটি ৭ জুলাই সম্ভাব্য বাসভবন নিয়ে কাজ শুরু করে এবং ২০ জুলাই প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে প্রায় সোয়া তিন একর আয়তনের ‘যমুনা’ এবং হেয়ার রোডের ২৪ ও ২৫ নম্বর বাংলো সমন্বিতভাবে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।নির্বাচিত নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রীরা কোথায় থাকবেন, তা চূড়ান্ত হবে শপথগ্রহণের পর। ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের পরই নতুন সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হতে পারে। মন্ত্রী ও ভিআইপিদের জন্য ৭১টি বাসা ইতিমধ্যে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

