জাতীয় দলের ডিফেন্ডার তারিক কাজী এক বছরের বকেয়া বেতন পাওয়ার অচেষ্টায় বসুন্ধরা কিংস ক্লাবের সঙ্গে তার চুক্তি আইনগতভাবে বাতিল করেছেন। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে দেওয়া দীর্ঘ এক স্ট্যাটাসে তিনি ক্লাব কর্তৃপক্ষকে কঠোর নিন্দা জানিয়ে লিখেছেন, “এক বছর ধরে অনিয়মিত ও বিলম্বিত বেতন চলেছে … নীরবতা বহন করা কঠিন হয়ে ওঠে।” তারিক জানান, বিষয় নিয়ে বহুবার স্মরণ করিয়ে দিয়েও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি। তিনি লিখেছেন, “এই ছিল শুধু আর্থিক কষ্ট নয় — মানসিক চাপও। একজন পেশাদার হিসেবে এ ধরনের অবস্থা সহ্য করা যায় না।” বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে তার ৬ বছরের সম্পর্ক এখানেই শেষ হলো। ক্লাবের সভাপতি ইমরুল হাসান বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তারিক হচ্ছেন ফিনল্যান্ডে বেড়ে ওঠা ফুটবলার। বিদেশ থেকেও তিনি বহু অনুপ্রেরণা পেয়ে এসেছেন। তার লেখা স্ট্যাটাসে ফুটে ওঠে, “দেশপ্রেম ও ক্লাবের প্রতি বিশ্বস্ততার মধ্যে দিয়ে আমি লড়েছি।” বিশ্লেষণ ও প্রভাবনির্ভরশীল তারিক — জাতীয় দলে পদ পাকা, ক্লাবেও ছিলেন নির্ধারিত অংশ।খেলোয়াড়দের অধিকার — এ ঘটনায় ফুটবলে খেলোয়াড়দের বেতন ও অধিকার প্রশ্নচিহ্নে।ক্লাবের ভাবমূর্তি — বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত নেতিবাচক আলো।এই ঘটনা শুধু তারিকের লড়াই নয়; দেশের প্রফেশনাল ফুটবলের সুরক্ষা ও স্বচ্ছতার একটি বিতর্ক।

