নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকায় ড্রামের ভেতর থেকে সাত বছরের এক শিশুর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত শিশুর নাম রিফাত। সে রাজধানীর কদমতলী এলাকার বাসিন্দা।পুলিশ জানায়, মোবাইল ফোন চুরির সন্দেহের জেরে প্রতিবেশী মায়া বেগম ওরফে লাবণী নামে এক নারী শিশুটিকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
পরে লাশ প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে গেন্ডারিয়ার লোহারপুল এলাকার একটি ময়লার স্তূপে ফেলে দেওয়া হয়।গত বুধবার ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে গেন্ডারিয়া থানা এলাকায় ড্রামভর্তি অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া লাশের সঙ্গে থাকা জামাকাপড় ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তদন্ত শুরু করে কদমতলী থানা পুলিশ।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয় অভিযুক্ত নারীকে।পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত মায়া বেগম ওরফে লাবণীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা শিশু নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজকে আরও সতর্ক ভূমিকা নিতে হবে।ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

