সর্বশেষ
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

জামায়াত শীর্ষ নেতা ডা. শফিকুর রহমান শ্রদ্ধার সাথে ড. তোফায়েলের স্মৃতিকক্ষে

Spread the love

রাজনৈতিক ব্যস্ততার এক মুহূর্তে শান্তিপূর্ণ এবং অর্থবহ একটি সাক্ষাৎ ঘটল —ডা. শফিকুর রহমান (আমীরে জামায়াত) উত্তরার বাসভবনে পৌঁছান মরহুম স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ এর স্মৃতিবিজড়িত লাইব্রেরি ও পড়ার কক্ষ।সাত দশকের রাষ্ট্রপ্রশাসন-শিক্ষা ও স্থানীয় সরকার রূপান্তরের ধারায় গভীর অবদান রাখা এই বিশেষজ্ঞের জীবনের ছাপ স্পর্শ করলেন শফিকুর রহমান।ড. তোফায়েলের বহুমাত্রিক জীবন ও কর্মযাত্রার সংক্ষিপ্ত নিবেদন করলে — তিনি ছিলেন উপাচার্য, অধ্যাপক, গবেষক এবং বিশেষ করে স্থানীয় সরকার সংস্কার-কমিশনের প্রধান-শ্রেণিতে দায়িত্ব পালনকারী। এ দিন তিনি তাঁর উত্তরার বাসভবনে তাঁর সহধর্মিনী মাসুদা আক্তার চৌধুরী, কন্যা সাদিয়া আহমেদ এবং নাতনি সাজফা বিনতে সরওয়ার-এর সান্নিধ্যে সময় কাটিয়েছেন, খোঁজখবর নিয়েছেন, স্মৃতিচারণ করেছেন।এই সফরে উপস্থিত ছিলেন —সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিলেটের প্রতিষ্ঠিত দৈনিক “জালালাবাদ”র সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক মুকতাবিস‑উন‑নূরসিলেট জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল হান্নানমরহুমের জীবনের শেষ পর্যায়ে দায়িত্ব ছিল স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে; তিনি বিস্তৃত সুপারিশসহ বাংলা ভাষায় প্রকাশিত একটি বই রেখে গেছেন — যা আজও মেরে পড়ে আছে।টুইস্ট হলো, আজই সেই লাইব্রেরিতে আমীরে জামায়াত খুঁজে দেখেন সেই সুপারিশের কপি। তিনি নেড়েচেড়ে দেখেন এবং স্মৃতিচারণ করেন — স্মৃতিগুলো যেন এখনও প্রাণ আছে লাইব্রেরি ও পড়ার কক্ষে।এই ধরনের পরিদর্শন শুধু সৌজন্যপূর্ণ প্রটো콜ই নয়, বরং একটি নীরব শ্রদ্ধা। তা আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ স্থানীয় সরকারের সংস্কারে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা একজন বিদগ্ধর স্মৃতিবিজড়িত জায়গায় একজন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের — এই মিলন। এটি সমাজে দায়িত্ববোধ, মূল্যবোধ ও বিশ্ববিদ্যালয়-মুখী চিন্তার একটা প্রতিফলন।শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা যাক —১. তিনি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামো, আইন ও নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে উল্লেখযোগ্য লেখা ও গবেষণা করেছেন। ২. তাঁর মতে, নির্বাচনের আগে কাঠামোগত সংস্কার অত্যাবশ্যক — “নির্বাচন হয়েই ভালো ফল দেওয়া সম্ভব নয়, যদি সংস্কার না হয়”-র মতো মন্তব্য করেছেন। এই খবরের মধ্য দিয়ে আমরা দুই দিকেই সঙ্কেত পাচ্ছি — মরহুমের অবদান স্মরণীয় এবং আজও তা সমাজ-রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক। পাশাপাশি, রাজনৈতিক-বুদ্ধিজীবী পরিমণ্ডলে সৌজন্য ও স্মরণশক্তির গুরুত্বও ফুটে ওঠে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *